ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

হত্যার পর সম্রাটের লাশ গড়িতে নিয়ে ঘোরেন স্বামী-স্ত্রী

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২:১৯, ২৬ মার্চ ২০২৩
হত্যার পর সম্রাটের লাশ গড়িতে নিয়ে ঘোরেন স্বামী-স্ত্রী
ছবিতে সীমা খাতুন

পাবনার রূপপুর প্রকল্পের গাড়িচালক সম্রাট হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত সীমা খাতুনের দুইদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সীমা খাতুনকে আদালতে সোপর্দ করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঈশ্বরদী থানার এসআই তহিদ হোসেন। শুনানি শেষে পাবনা আমলি আদালত-২ এর বিচারক শামসুজ্জামান দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সীমা খাতুন নিহত সম্রাটের বন্ধু আব্দুল মমিনের স্ত্রী। তার বাড়ি ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা গ্রামে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন আব্দুল মমিন।

এর আগে, শনিবার রাতে ঈশ্বরদী থানায় নিহতের বাবা আবু বক্কার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সম্রাটের বন্ধু আব্দুল মমিন এবং তার স্ত্রী সীমা খাতুনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগেই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্রাটের বন্ধুর স্ত্রী সীমা খাতুনকে আটক করেছিল পুলিশ। মামলার পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

Advertisement

ঈশ্বরদী থানার ওসি অরবিন্দ সরকার জানান, নিহত সম্রাটের পরিবার ও গাড়ির মালিকের তথ্যের ভিত্তিতে মমিনের স্ত্রী সীমাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মমিনের স্ত্রী সীমা জানিয়েছেন- গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সম্রাট তার বাসায় আসেন। তার মাথা ধরেছে বলে বিছানায় শুয়ে পড়ে। তার স্বামী মমিন ঔষধ আনতে গেলে সম্রাট তার শরীরে হাত দেন। এতে তিনি রাগে হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় ও গোপন অঙ্গে আঘাত করলে সম্রাট মারা যায়। পরে সীমার স্বামী বাসায় ফিরলে লাশ বস্তায় ভরে গাড়িতে তুলে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। পরে তার স্বামী সীমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন। পরে তিনি শিলাইদহে গাড়ি রেখে চলে যান।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের দুইদিন পর শনিবার সকালে পাবনা-কুষ্টিয়ার সীমান্তবর্তী শিলাইদহ ঘাট এলাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিকিমত কোম্পানির গাড়িচালক সম্রাট হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় বিলাসবহুল প্রাডো জিপ গাড়িটি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!