চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ জানান, ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন জমা নেয়া হয়। ৩৯ হাজার ৪৪ টি বিষয়ে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন ১২ হাজার ২৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৭৭৭টি উত্তরপত্র পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছেন ৭৬ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৭ জন। জিপিএ বেড়েছে ৩৫৭ জনের।
এর আগে, ৮ ফেব্রুয়ারি দেশে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষাবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় ২৬৭টি কলেজের এক লাখ এক হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেন ৮৯ হাজার ৬২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিতির সংখ্যা ৯৯ হাজার ৬২৮ জন। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা, জিপিএ ৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছাত্রীরা।
.png)
ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৫৬৪ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৮২ দশমিক ৯২ শতাংশ। তাদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছেন সাত হাজার ১০৬ জন। তিন বিভাগের মধ্যে বিজ্ঞানে ৯১ দশমিক ৩০ শতাংশ, ব্যবসায় শিক্ষায় ৮৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ ও মানবিকে ৭৩ দশমিক তিন শতাংশ পাস করেন।