মঙ্গলবার সকালে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।
মামলার ১নং আসামি আরিফ উদ্দিন হাতিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীদিয়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। অপর দুই আসামি হলেন- উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কালীরচর গ্রামের মো. হেজু মাঝির ছেলে মো. হারুন। এছাড়া গ্রেফতারকৃত অপর সহযোগী অটোরিকশা চালক মো. হেজু বুড়িরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কালীরচর গ্রামের মো. নুরুল আমিনের ছেলে।
.png)
মামলার বাদী ভুক্তভোগী মাদরাসাছাত্রীর বাবা জানান, তার মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। গত বৃহস্পতিবার সকালে সে মাদরাসায় যাওয়ার জন্য বের হয়। পথে আরিফ ও হারুন তাকে প্রলোভন দেখিয়ে হেজুর অটোরিকশায় করে পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে নিয়া আটকে রাখে। এ সময় হারুন ও হেজুর সহযোগিতায় আরিফ ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।
তিনি আরো জানান, পরের দিন সকালে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে নিজ বাড়ির সামনে রেখে যায়। তাকে চট্টগ্রাম নিয়ে বিয়ে করার প্রলোভন দেখায় এবং ধর্ষণের কথা কাউকে বলতে নিষেধ করে। কাউকে বললে অনেক বড় ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়। পরে জিজ্ঞাসা করলে ভুক্তভোগী তার মায়ের কাছে ঘটনাটি বলে।
হাতিয়া থানার ওসি আমির হোসেন জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাদরাসাছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এ মামালায় হেজু নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।