গ্রেফতার সোলায়মান মোল্লা ওরফে জুয়েল খুলনার ফুলতলা উপজেলার জামিরা গ্রামের শাহজাহান মোল্লার ছেলে।
শনিবার বিকেলে তাকে ঢাকা থেকে গ্রেফতারের পর রোববার ভোরে অভয়নগর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এদিকে গ্রেফতারকৃত সোলায়মান মোল্লাকে রোববার বিকেলে আদালতে হাজির করলে যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
.png)
এর আগে, এদিন দুপুরে যশোরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রূপন কুমার সরকার জানান, গত বছরের ১২ মে রাতে অভয়নগর উপজেলার দত্তগাতী গ্রামে রাস্তার ওপর রকিবুল ইসলাম রকিব নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই এলাকায় গত ১১ জানুয়ারি সকালে মৎস্য ব্যবসায়ী সুব্রত মণ্ডলকে গুলি করে হত্যা করা হয়। দুটি চাঞ্চল্যকর হত্যার পর রকিব হত্যা মামলা তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। মামলা তদন্তকালে এরআগে গোয়েন্দা পুলিশ ছয় আসামিকে গ্রেফতার ও অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করেছে। তবে ঘটনার অন্যতম আসামি জুয়েল, রাজু ও সাগর পলাতক ছিলেন।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ শনিবার বিকেলে ঢাকার সাভার থানাধীন নিমেরটেক নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে রকিবুল হত্যার অন্যতম আসামি সোলায়মান মোল্লা ওরফে জুয়েলকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রোববার ভোরে অভয়নগর উপজেলার দত্তগাতি গ্রামের পলাতক আসামি জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ার বাড়ি থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের উদ্বৃতি দিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ও পলাতক আসামিরা সংঘবদ্ধ নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন নিউ কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য। তারা খুলনা ফুলতলার শিমুল ভুইয়ার নির্দেশে দত্তগাতি সাইফুল আলম মেম্বারের নেতৃত্বে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির জন্য রকিবুল ইসলাম, সুব্রত মণ্ডলকে হত্যা করে। জড়িত অন্য চরমপন্থী সংগঠনের সদস্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন ওসি রূপান কুমার সরকার।