রোববার দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রবিউল ইসলাম আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু জানান, যৌতুকে দাবিতে ২০১৪ সালের ৬ জুন সাতক্ষীরার মেহেদিবাগের রবিউল ইসলাম তার স্ত্রীকে হত্যা করেন। পরদিন নিহতের বাবা শহীদুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর থানায় জামাতা রবিউল ইসলাম, তার বাবা বিল্লাল গাজী, মা রোকেয়া বেগম, ভাই হাসান ও বোন আসমা খাতুনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
.png)
আসামি রবিউল ইসলাম ২০১৪ সালের ৮ জুন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শিমুল কুমার বিশ্বাসের কাছে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক তানভির হোসেন একই বছরের ১৭ নভেম্বর আদালতে এজাহারভুক্ত পাঁচজনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ শেষে রোববার আদালত আসামি রবিউল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড দেন। একইসঙ্গে অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।