বৃহস্পতিবার বিকেলে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন আসামিরা।
দণ্ডিতরা হলেন- আবু সোলাইমান মাহমুদের স্ত্রী রহিমা আক্তার, বেগমগঞ্জ উপজেলার রায়কৃষ্ণপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে হেঞ্জু মিয়া ও সদর উপজেলার আনোয়ার উল্লাহর ছেলে শামছুদ্দিন।
.png)
মামলার বিবরণ দিয়ে মো. এমদাদ হোসেন কৈশোর জানান, ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ আবু সোলাইমান অপহরণের অভিযোগ এনে সুধারাম থানায় মামলা করেন রহিমা। মামলার এক বছর পর ১৯৯৮ সালে ২৮ মে মরদেহ উদ্ধার করেন তদন্ত কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান। মরদেহটি সোলাইমানের ছিল। প্রেমিক হেঞ্জু মিয়ার সহায়তায় স্বামীকে হত্যার পর লাশ গুম করেন স্ত্রী। টাকার লোভে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত হন গৃহশিক্ষক শামছুদ্দিন। এরপর সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে পুলিশ। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনজন। দীর্ঘ ২৬ বছর পর বৃহস্পতিবার এ রায় দেয় আদালত।