বলাৎকারের হাত থেকে বাঁচতে আলমগীরকে খুন করে ওই পাঁচ তরুণ
পতেঙ্গা এলাকার বালু ব্যবসায়ী আলমগীরের হত্যা রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পাঁচদিন পর নগরীর ইপিজেড খেজুরতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ তরুণকে গ্রেফতারের পরই বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের রহস্য।
আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে তরুণরা দাবি করেছে, যৌন হয়রানি এবং বলাৎকার থেকে বাঁচতে তারা আলমগীরকে হত্যা করেছিলো।
ওই পাঁচ তরুণ আরো জানান, এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে আলমগীরকে হত্যার পর প্রমাণ না রাখতে লাশ তারা সাগরে ফেলে দিয়েছিলো। তবে জোয়ারের পানিতে ভেসে লাশ কূলে চলে আসে।
.png)
ইপিজেড থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এসব তরুণদের যৌন হয়রানি করে আসছিলেন বালু ব্যবসায়ী আলমগীর। ঘটনার দিন ১৮ ডিসেম্বরও নাঈমসহ তার অন্যান্য বন্ধুদের একইভাবে আলমগীর হয়রানি করে। শেষ পর্যন্ত তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যা করে লাশ সাগরে ফেলে দেয়। এমনকি হত্যাকাণ্ডের পরদিন ভোরে তারা আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের অবস্থাও দেখে আসে।
নিখোঁজের একদিন পর ইপিজেড থানা পুলিশ পতেঙ্গা উপকূল থেকে বালু ব্যবসায়ী আলমগীরের লাশ উদ্ধার করে। প্রথম পর্যায়ে বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে ধরা হলেও পরবর্তীতে তার পরিবার আলমগীরকে শনাক্ত করে। এ ঘটনায় নিহত আলমগীরের ছেলে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা করেছিলো।