ঢাকা,  শুক্রবার   ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সিনহা হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় গণসংহতি আন্দোলন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:৪১, ১৪ আগস্ট ২০২০
সিনহা হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় গণসংহতি আন্দোলন
নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন

পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ দাবি করেছে গণসংহতি আন্দোলন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ শাখার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, নারী সংহতি আন্দোলন জেলা শাখার সদস্যসচিব পপি রাণী সরকার, কেন্দ্রীয় ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, জেলা কমিটির সভাপতি শুভ দেব, ছাত্রনেতা রাকিবুল হাসান, কাওসার হামিদ প্রমুখ।

Advertisement

মানববন্ধনে দেশে সংঘটিত সব বন্দুকযুদ্ধের বিচার বিভাগীয় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান বক্তারা।

৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় বুধবার কক্সবাজারে টেকনাফ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে ওসি প্রদীপ ও মো. লিয়াকতসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা করেন নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে এফআইআর হিসেবে রুজু এবং র‌্যাব-১৫ কে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি বুধবার রাতেই টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা। এ মামলায় নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের সঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজার আদালতে র‌্যাবের করা রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে তিনজনকে সাতদিন করে রিমান্ড দেয় আদালত। বাকি চারজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়। পরে এ আদেশ পরিবর্তন করে আদালত। এ সময় বাকি দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এর আগে, প্রদীপ কুমার দাশ ও টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর তদন্তকেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ সাতজনকে একসঙ্গে আদালতে হাজির করা হয়। বাকি দুই আসামি শেষ মুহূর্তে আত্মসমর্পণ করেননি। প্রদীপ কুমার দাশকে চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ হেফাজতে আদালতে নেয়া হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!