ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

বিমানে আগুন লাগলে কী করবেন, হাতে-কলমে শেখালো শাহজালাল বিমানবন্দর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১:১৮, ২ জুন ২০২৪
বিমানে আগুন লাগলে কী করবেন, হাতে-কলমে শেখালো শাহজালাল বিমানবন্দর
ছবি: সংগৃহীত

উড়োজাহাজে আগুন লাগলে কীভাবে নেভানো হয়, ভেতর থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা, নিরাপদ জায়গায় নেয়া এবং যারা আহত হন তাদের কীভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় তা অনেকেই জানেন না। তাই এসব বিষয়ে ধারণা দিতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে আয়োজন করা হয়েছিল অগ্নিনির্বাপণ মহড়া। এতে দেখানো হয় প্লেনে আগুন লাগার পর থেকে আদ্যোপান্ত।

রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমন একটি মহড়ার আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ।

শাহজালাল বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, বিমান বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং জাহানারা ক্লিনিকের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দুর্ঘটনা কবলিত বিমানের অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ছিল এটি।

Advertisement

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মুফিদুর রহমান বলেন, এ ধরনের প্রতিটি মহড়ায় আমরা আমাদের ভুল ত্রুটিগুলো ধরার চেষ্টা করি। আমাদের সিস্টেমগুলোকে রিভিউ করি। এভাবেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ইকোনমিতে এ ধরনের মহড়া ক্যাটালিস্ট ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেই ভূমিকাটা পালন করার জন্য আমাদের দক্ষতা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, আমরা যারা গ্রাউন্ডে আছি, আমাদের এয়ারলাইন্সগুলো আকাশে, যারা সাপোর্ট সংগঠন আছে, প্রত্যেককেই কিন্তু তাদের ক্যাপাসিটির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। না হলে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না।

মহড়ার শুরুতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তিনি এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ফায়ার-২০২৪ এর সাজানো কাল্পনিক চিত্রটি বর্ণনা করেন।

গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আজকের এ মহড়ার উদ্দেশ্য হলো, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যাচাই করা। সেই সঙ্গে মহড়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের কোনো ঘাটতি থাকলে সেটি ঠিক করা। প্রকৃতপক্ষে আসল দুর্ঘটনার দৃশ্যটি মঞ্চায়ন করা খুবই দূরুহ কাজ। তবে, আমরা একটি দৃশ্যপট সাজিয়েছি সবাইকে অবহিত করার জন্য।

প্রতি দুই বছর পর পর এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ার মুখ্য উদ্দেশ্য হলো, বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের দ্রুত জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে অগ্নিনির্বাপণ এবং যাত্রীদের উদ্ধার কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত কীভাবে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজের উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হয় তা নির্ণয় এবং মূল্যায়ন করা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এয়ার কমোডর এ এফ এম আতিকুজ্জামান। এছাড়া সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, এয়ারলাইন্স এর প্রতিনিধিরা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!