ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

টিকিট ছাড়া বিমানবন্দরে পাঠানো সব এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: বায়রা মহাসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:৫৫, ১ জুন ২০২৪
টিকিট ছাড়া বিমানবন্দরে পাঠানো সব এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: বায়রা মহাসচিব
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গতকাল সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও মালয়েশিয়া যাওয়ার টিকিট পাননি অনেক কর্মী। ছবি: সংগৃহীত

টিকিট ছাড়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে পাঠানো এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী।

শনিবার গণমাধ্যমে এ কথা বলেন বায়রা মহাসচিব।

আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিকের মালয়েশিয়ায় যেতে না পারার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর গাফিলতি রয়েছে।

Advertisement

বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের জন্য আজ (১ জুন) থেকে কর্মী যাওয়া বন্ধ করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির এমন সিদ্ধান্তে ভিসা পেয়েও বিমানের টিকিটসহ নানা জটিলতায় আটকা পড়েন ৩০ হাজারের বেশি কর্মী।

এদিকে টিকিট সংকটে যেসব কর্মী মালয়েশিয়া যেতে পারেননি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো তাদের টাকা ফেরত দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং রিক্রুটিং এজেন্সির সংগঠন বায়রা নেতারা।

অপরদিকে, ভিসা পেয়েও যেসব বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় যেতে পারছেন না, তাদের দ্রুত নেয়ার ব্যাপারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে শুক্রবার রাতে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন তিনি। রাতভর বিমানবন্দরে তিনি অবস্থান করেন এবং সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, কাউন্সেলর (লেবার) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, প্রথম সচিব প্রেস সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ ও ওয়েলফেয়ার অ্যাসিসট্যান্ট শিহাব হোসাইন।

সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ জানান, মালয়েশিয়া রাত ১২টার পর বাংলাদেশ থেকে আসা কর্মীরা নির্বিঘ্নে ইমিগ্রেশন পার করছেন। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। ৩১ মে বাংলাদেশ ত্যাগ করে যারা মালয়েশিয়ায় আসছেন ১২টার পরেও তারা ইমিগ্রেশন পার হয়েছেন। এখন পর্যন্ত যারা দেশটিতে পোঁছেছেন তাদের অনেকেই বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন। এই মুহূর্তে বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। এ অবস্থায় এয়ারপোর্টের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক সজাগ দৃষ্টি রাখছে কর্তৃপক্ষ।

হাইকমিশনার বলেন, ভিসা পাওয়ার পরও যেসব বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় আসতে পারছেন না, তাদের যেন দ্রুত নিয়ে আসা যায় তার জন্য চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ৫ লাখ ২৭ হাজারের বেশি ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন করেছে হাইকমিশন। এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৭২ হাজারের বেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় এসেছে। আমরা নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি, তারা যেন প্রতিশ্রুত কাজে যোগদান করতে পারেন। বিভিন্ন জটিলতায় হয়তো তারা আসতে পারছেন না। কিন্তু আমাদের প্রচেষ্টা চলমান।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন। গত বছর সেখানে গেছেন ৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৮৩ জন কর্মী। এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৭২ হাজারের বেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় এসেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
ট্যাগ: মালয়েশিয়া
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!