ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

লঞ্চে ওঠার আগেই মা-বাবার সঙ্গে মাইশার অনন্ত যাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:৫৩, ১১ এপ্রিল ২০২৪
লঞ্চে ওঠার আগেই মা-বাবার সঙ্গে মাইশার অনন্ত যাত্রা
ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দিন বাড়ি ফেরার জন্য বাবা বেলাল এবং মা মুক্তার সঙ্গে ভোলার চরফ্যাশনগামী এমভি তাশরিফ-৪ লঞ্চে উঠতে চেয়েছিল ৪ বছর বয়সী মাইশা। তবে অন্য একটি লঞ্চের ধাক্কায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অনন্তকালের পথে পাড়ি জমিয়েছে শিশুটিও।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, এমভি তাশরিফ-৪ ও এমটি টিপু নামে দুটি লঞ্চ পন্টুনে বাঁধা ছিল। বিকেল ৩টার দিকে ভোলা থেকে আসা লঞ্চ এমভি ফারহান ওই দুই লঞ্চের মাঝখান দিয়ে পন্টুনে ভেড়ার চেষ্টা চালায়। তবে সেটি সফল হয়নি। উল্টো ফারহানের ধাক্কায় তাশরিফের দড়ি ছিঁড়ে গেলে লঞ্চটিতে উঠতে চাওয়া কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আঘাত পান। তাদের মধ্যে শিশুসন্তান সায়মাকে নিয়ে বিল্লাল ও তার স্ত্রী মুক্তা ছিলেন।

Advertisement

এছাড়া রিপন হাওলাদার ও নবীউল নামে আরো দুইজন গুরুতর আঘাত পান। এই ৫ জনকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে ঐ পাঁচজন ছাড়াও আহত আরো ৪ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর এমভি টিপু ও এমভি ফারহানের যাত্রা বাতিল করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এছাড়া ফারহানের চালক পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব-১০ এর কোম্পানি কমান্ডার এসপি সাইফুর রহমান।

তবে ফারহানের ম্যানেজার রাজিবের দাবি, দুর্ঘটনায় তাদের লঞ্চের কোনো দায় নেই। এমভি তাশরিফ-৪ কতৃপক্ষ মিথ্যা অভিযোগ করছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!