তিনি বলেন, একটি খাল নিয়ে নিজেদের মধ্যেই খেলা চলছে। কিন্তু কষ্ট পাচ্ছে জনগণ। খাল তাদের, কিন্তু তারা গুছিয়ে রাখছে না। তাই জনগণের কষ্ট লাঘব করতে ডিএনসিসি এ নিয়ে টানা চারবার খালটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছে। পরিষ্কার করার পর কিছুদিনের মধ্যে আবার কচুরিপানায় ভরে যাচ্ছে। খাল তাদের, কিন্তু গালি খাচ্ছি আমরা।
বুধবার উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের খালে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মেয়র আতিক।
.png)
তিনি আরো বলেন, কচুরিপানার কারণে খালটি দূষিত হয়ে যাচ্ছে। এতে আশপাশে বসবাসকারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। উত্তরার মশার ঘনত্ব অন্যান্য এলাকা থেকে অনেক বেশি। তাই উত্তরাবাসীর সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে খাল পরিষ্কার অব্যাহত থাকবে।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এ খালের মালিকানা ডিএনসিসির নয়, তবু জনস্বার্থে খাল পরিচ্ছন্নতার কাজ আমরা করছি। খালটি পরিষ্কার করতে সিটি কর্পোরেশনের প্রচুর অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এটি অনতিবিলম্বে ডিএনসিসির কাছে হস্তান্তর করা হলে আমরা মানুষের জন্য নিরাপদ করে দিতে পারবো। খাল রাজউক-ওয়াসার, কিন্তু গালি খাচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।