রোববার ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গত ১৩ মার্চ অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ ভবনটির উন্মুক্ত নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নিলামে পাওয়া সর্বোচ্চ দরদাতাকে ১০ দিনের মধ্যে নির্মাণাধীন ভবনটি ভাঙার কাজ শেষ করে অবশিষ্ট মালামাল সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৪ মার্চ থেকে প্রতিদিন ভবন ভাঙার কাজ চলছে।
.png)
ম্যাপ অনুযায়ী নির্মাণাধীন ১০তলা ভবনের প্রায় ৮০ শতাংশ রামচন্দ্রপুর খালের সীমানায় পড়েছে বলে জানান আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাকাব্বীর আহমেদ।
তিনি বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ভবনটি ভাঙা হয়। ম্যাপ ও কাগজপত্র দেখে খালের সীমানায় ভবনের ৮০ শতাংশ পড়ার বিষয়টি মেনে নেন ভবন মালিক। তিনি ভবনটি ভেঙে নেয়ার জন্য সাতদিন সময় চেয়েছিলেন। কিন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হন। পরে ভবন মালিকের সঙ্গে কথা বলে বিধি অনুযায়ী উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এটি বিক্রি করা হয়।