বুধবার বিকেলে এসব মেট্রোস্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন স্টেশন ছাড়িয়ে চলে গেছে নিচের ফুটপাতে। চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা।
মতিঝিল স্টেশনে দেখা গেছে, অফিস ফেরত মানুষজনের লাইন টিকিট কাউন্টার থেকে নিচে একদিকে শাপলা চত্বরের দিকে রূপালী ব্যাংক শাখার গেট, অন্যদিকে পশ্চিমে পূবালী ব্যাংকের গেট পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই দীর্ঘ লাইনে সর্পিল গতিতে মেট্রোস্টেশনের দিকে এগোচ্ছেন। মানুষের অতিরিক্ত চাপে স্টেশনের দ্বিতীয় তলার গেটে যান্ত্রিক চেকিং মেশিনও সঠিকভাবে কাজ করছে না।
.png)
একই অবস্থা দেখা গেছে সচিবালয়, শাহবাগ ও কারওয়ান বাজার স্টেশনে। তিনটি স্টেশনেই অফিস ফেরত মানুষের লম্বা লাইন স্টেশনের সিঁড়ি ছাড়িয়ে চলে গেছে নিচে। স্টেশনগুলোতে মেট্রোরেল আসার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। সবার মধ্যেই ইফতারের আগে বাসায় ফেরার তাড়া।
মতিঝিল, সচিবালয়, কারওয়ান বাজারের অফিসফেরত মানুষেরা আগে ব্যক্তিগত গাড়ি, স্টাফ গাড়ি বা গণপরিবহন ব্যবহার করে বাসায় ফিরতেন। মেট্রোরেল চালুর পর থেকে বেশিরভাগ মানুষ মেট্রোরেলে চলাফেরা করছেন। রোজা শুরু হওয়ার পর থেকে বিকেল তিনটা থেকে দুই-আড়াই ঘণ্টা মেট্রো স্টেশনগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
মতিঝিল থেকে ছেড়ে আসার পর সচিবালয় স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় আরও বেড়ে যায়। মেট্রোতে ওঠার জন্য যাত্রীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়। শাহবাগে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। যাত্রী নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খান মেট্রোর কর্মীরা। মাইকে বার বার যাত্রীদের সতর্ক করতে হয়। কোনো কোনো স্টেশনে যাত্রীর চাপে দরজার বন্ধ করতে দেরি হওয়ার কারণে সময়মতো স্টেশন ছাড়াও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত।