লিউনা বললেন, দেশের চেয়ে অনেক ভালো রমজান কাটাচ্ছি। এখানে ফলমূল এত স্বস্তা! ফল দিয়েই ইফতার হয়ে যায়। তরমুজের কেজি ২০ থেকে ৩০ টাকা। আঙুর, কলা এসবও বেশ সহজলভ্য। অনলাইনেও ইফতার কিনতে পারছি। নির্দিষ্ট সময়ে তারা পৌঁছেও দিচ্ছে। রুমমেটরা রান্নাও করে দিচ্ছে আমার জন্য। মনেই হচ্ছে না বাইরের দেশে রোজা করছি। তবে, মায়ের হাতের পেঁয়াজু– বেগুনি মিস করছি। জিলাপি দেশের চেয়ে এখানে বেশ মজা। ঘিয়ে ভাজা গরম জিলাপি তৃপ্তি সহকারে খাওয়া যায়।
লিউনার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয়দের কিচেনে সপ্তাহে একদিন মাছ– মাংস রান্না হয়। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পছন্দসই খাবার রান্নার ব্যবস্থা আছে। তাই খাওয়া নিয়ে সমস্যা হচ্ছে না। সেহরিতে স্থানীয় কিচেন থেকে খাবার এনে রাখার ব্যবস্থা আছে।
.png)
ঈদের কেনাকাটার বিষয়ে লিউনার ভাষ্য, এখানে বছরজুড়ে নানারকম ছাড় থাকে। শপিংমলে গিয়ে কেনা যায় আবার অনলাইনেও পছন্দের পোশাক কেনা যায়। সাইজ–কালার না মিললে বদলে দেয় সহজে। আবার দর্জির খরচও অনেক কম। স্থানীয়রা বাইরের স্টুডেন্টদের গ্রহণ করে নিয়েছে। ঠকায় না বললে চলে। অন্তত আমি ঠকিনি।
লিউনা আরও জানালেন, আজ (২০ মার্চ) থেকে হোলি উৎসব শুরু হয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় সবাই হোলি খেলবে। কিন্তু কেউ যাওয়ার জন্য জোর করবে না। চাঁদাও নিবে না।
ঈদে দেশে আসার সম্ভাবনা নেই লিউনার। কারণ মে মাস থেকে শুরু হবে সেমিস্টার ফাইনাল। এরপর দুই মাস গরমের ছুটি। তখনও তিনি দেশে ফিরবেন না। করবেন ইন্টার্নশিপ।