দগ্ধ দেবর ও ভাবি হলেন- বনমালী দাস ও বিনা রানী দাস।
শনিবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। বিনা রানী দাসের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং বনমালী দাসের শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক।
.png)
বনমালী দাস বলেন, সন্ধ্যায় আমার ভাবি রান্না করছিল। হঠাৎ গ্যাস লিক হয়ে আগুন ধরে যায়। ভাবির চিৎকার শুনে রান্না ঘরে গিয়ে দেখি তার সমস্ত শরীরের আগুন ধরে গেছে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আমিও দগ্ধ হই। আমার কোমর থেকে দুই পা এবং বাঁ হাত সম্পূর্ণ দগ্ধ হয়েছে। আর ভাবির সমস্ত শরীরই পুড়ে গেছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, জুরাইন থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রাখা হয়েছে।