নিহত মো. বাহার রমনা এলকায় ‘এম বাহার ওভারসিজ’ নামে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মালিক ছিলেন।
স্ত্রী জয়নব বেগম বলেন, আমার বোন-জামাই জাকের, আমার আপন ছোট ভাই ইউনুস ও আমার বোন ফাতেমা বেগম মিলে আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমার চোখের তারা তিনজন আমার স্বামীর মাথায় কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এরপর গলা টিপে দেয়ালের সঙ্গে ধরে রাখে। পরে আমার স্বামী নিস্তেজ হয়ে যায়।
.png)
মারধরের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার বোন-জামাইয়ের দেশের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল। ভোর ৫টায় ফ্লাইট। এয়ারপোর্টে ৩ ঘণ্টা আগে আসতে বলা হয় তাকে। কিন্তু তিনি ভেবেছেন বিকেল ৫টায় ফ্লাইট। এ নিয়ে অফিসের মধ্যে আমার বোন-জামাই, বোন ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা কিল-ঘুষি মেরে ও পিটিয়ে-শ্বাসরোধ করে আমার স্বামীকে হত্যা করে।
নিহত বাহারের অফিসের স্টাফ ও প্রত্যক্ষদর্শী মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমার চোখের সামনেই ঘটেছে। পরিবারের লোকজনই স্যারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
রমনা থানার এসআই মো. শহিদুল ওসমান মাসুম বলেন, খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে তার লাশ পাই। ঘটনার তদন্ত চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।