ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বইমেলা ]

বইমেলা: লেখকের নাম জানেন না, চেনেন ফেস!

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৩২, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
বইমেলা: লেখকের নাম জানেন না, চেনেন ফেস!
ছবি: সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ এখন লেখক।

ঘড়িতে সময় তখন সাতটা ছাড়িয়েছে। বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে কিংবদন্তির স্টলে বেশ ভিড়। পাঠক বই কেনার পর অটোগ্রাফ ও ছবি তুলছেন। কেউ বা বই না নিয়েই ছবি তুলে সটকে পড়ছেন। লেখকের নাম না জানা পাঠক-দর্শনার্থীর সংখ্যা এখানে বেশি। বইয়ের চেয়ে ছবি তোলাতে বেশ ব্যস্ত দেখা যায় তাদের।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মেলাতে কিংবদন্তী পাবলিকেশনের স্টলে এসেছেন, এই প্রকাশনী থেকে বের হওয়া ‘পুচি ফ্যামিলি মুখ ও মুখোশ’ বইয়ের লেখক তাপসী দাস। তাপসী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কনটেন্ট নির্মাণে বেশ জনপ্রিয় একটি মুখ। অনেকে নাম না জানলেও প্রিয় এবং জনপ্রিয় মুখটির নাম জানছেন বইয়ের বদৌলতে।

রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেহজাবিন ইসলাম। মেলাতে কিনেছেন তাপসীর বই ‘পুচি ফ্যামিলি মুখ ও মুখোশ।’ কিন্তু আগে নাম জানতেন না। বই কেনার বদৌলতে নাম জানতে পেরেছেন তিনি। মেহজাবিন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আপুকে ফেসবুকে দেখেছি। নিয়মিত ফেসবুকে দেখেছি। আগে তার নাম জানতাম না, আজকে নাম জানা হলো। 

Advertisement

ছবি: ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রকাশনীবইটি কেন কিনলেন এমন প্রশ্নের জবাবে বললেন, পড়ার জন্য কিনেছি। কিছু মানুষের তো পছন্দ, ভালা লাগা থাকেই। সে থেকেই কেনা। এখন বই না পড়ার আগে তো বই বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক না। তাছাড়া একজন লেখক কেমন লিখেন, সেটার উপলব্ধি ও মূল্যায়ন বই পড়ার পরে জাগে।

বইটির আরেক ক্রেতা ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী মারিয়া বুশরাও চেনেন কিন্তু নাম জানেন না। তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আপুকে খুব ভালো ভাবেই চিনি। উনার অনেক বিড়াল আছে এবং উনি মজার মজার কথা বলে ফানি ভিডিও তৈরি করেন। আজ বই কেনার পর উনার নাম জানতে পারলাম।

কেন কিনলেন এমন প্রশ্নের জবাবে বুশরা বলেন, আগ্রহ থেকেই বই কেনা। তাছাড়া নিয়মিত উনার ভিডিও দেখি। বলতে পারেন কৌতুহল থেকে বই কেনা, এর বাহিরে আর কিছুই না। 

তাপসীর রচিত ‘পুচি ফ্যামিলি মুখ ও মুখোশ’ নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাস লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনন্যা দে। তিনি বলেন, বই কখনো খারাপ হয় না। প্রত্যেক বইয়ের কোন না কোন মেসেজ (বার্তা) থাকে। যেটি জীবন চলার পথে কাজে লাগে। সেটি এখনো কাজে লাগতে পারে কিংবা ভবিষ্যতে। আমি কৌতুহলী উদ্দীপক মানুষ। আশা করি বইয়ের ভেতরে ভালো কিছুই আছে। যা চিন্তা-ভাবনার খোরাক হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএইচএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!