Alexa সোনালী আঁশের হারানো দিন ফিরছে

ঢাকা, শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

সোনালী আঁশের হারানো দিন ফিরছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২৯ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৭:৫৩ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাইবান্ধার সাঘাটার ১০ ইউপিতে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এমনকি কৃষকেরা ধানের চেয়ে পাটের ভালো দাম পেয়েছেন। ২০১৮ সালে কৃষকরা পাটের ভাল দাম পাওয়ায় এবং পাটজাত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছেড়ে গেছে। ফলে এই উপজেলায় এক সময়ের “সোনালী আঁশ” পাটের হারানো দিন ফিরে এসেছে। 

এ বছরও পাটের বাম্পার ফলন হওয়ায় লাভের আশা করছেন পাট চাষিরা। তবে বন্যায় কিছুটা ক্ষতি হলেও তা মনে নিচ্ছেন না তারা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সময়মত বৃষ্টি, খরা, ভাল বীজের সহজ লভ্যতা ও সার সংকট না থাকায়, পাটের লক্ষ্য মাত্রা অতিক্রম করেছে এবং ভাল ফলনও হয়েছে। এরইমধ্যে পাটকাটা ও জাগ দেয়া শুরু করেছেন কৃষকরা। 

সাঘাটা উপজেলার কৃষি অফিসের সূত্রানুযায়ী, এ উপজেলায় তিন হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। বছরের তুলনায় অনেক বেশি আবাদ করা হয়েছে। পাটেরও বাম্পার ফলন হয়েছে। 

সাঘাটার অনন্তপুর গ্রামের পাটচাষি মোজাম্মেল হক, আব্দুল হক, বাটি গ্রামের আব্দুল আজিজসহ অন্যান্য কৃষকরা জানান, স্বল্প ব্যয়ে আবাদ করে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। তারা বলেন, বোরো মৌসুমে বি.আর-২৮ ধান আবার কেউবা গমের চাষ করেছিলো। তারপর চাষ করা হয়েছে পাটের। পাট কেটে রোপা আমনের চাষ করা হবে।  এখন পাট প্রতি মণ ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা দরে কেনাবেচা হচ্ছে। যা আগের বছর ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা ছিল। সব দিকেই লাভবান হওয়ার আশায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস