মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত
করোনাভাইরাস সন্দেহ রোগীদের জন্য বগুড়া সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ১২০ জনের আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত। দু’একদিনের মধ্যে আরো ৬০ শয্যা প্রস্তুত করা হবে। এছাড়াও ১২ টি উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৩ শ' শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, চিকিৎসার ক্ষেত্রে দু’টি শয্যার মধ্যে প্রায় ২ মিটার দূরত্ব রাখা বাধ্যতামূলক হওয়ায় শয্যা সংখ্যা কিছুটা কমেছে।
নতুন ভবনে আরো ৬০ জনের জন্য বেড প্রস্তুত করা হবে। ১২০ জনের জন্য করোনা সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসার জন্য ৩০ জনের একটি চিকিৎসক প্যানেল করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা ডিউটি করার পর ওইসব ডাক্তার এবং নার্সদের ১০ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিধান রাখা হয়েছে।
.png)
মোহাম্মদ আলী ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে কর্মরত
চিকিৎসকদের ওই প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় সংখ্যক নার্সসহ অন্যান্য স্টাফদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
কাজল আরো জানান, হাসপাতাল থেকে পিপিই,নেবুলাইজার, ডিজিটাল এক্সরে আইসিইউ, বায়ো কেমিক্যাল এনালাইজার ওষুধ , অক্সিজেন সিলিন্ডার চাওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত শুধু ১০০ পিপিই পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর পরিচালকের মৌখিক নির্দেশনায় প্রস্তুত করা হলেও পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এখানে রোগী ভর্তি শুরু করা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ডাক্তার জানান, বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফ্যাসালিটি বেশি থাকলেও সেখানে আইসোলেশন কেন্দ্র করা হয়নি। যান্ত্রিক সুবিধা, ভবন সুবিধা এবং ডাক্তার নার্স সবই পর্যাপ্ত আছে সেখানে। মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে আইসোলেশনের জন্য নতুন করে অনেক সেটআপ করতে হবে।
বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. গাওসুল আজিম চৌধুরী জানান, ১২ টি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইউএনও হাসপাতালগুলো আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত করছে।