এ মাসেই দৃশ্যমান পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=183413 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২২ ১৪২৭,   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

এ মাসেই দৃশ্যমান পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০৩ ২৩ মে ২০২০  

পদ্মাসেতু

পদ্মাসেতু

দ্রুত এগিয়ে চলছে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ। আগামী সপ্তাহে জাজিরা প্রান্তে বসছে ৩০তম স্প্যান। এতে দৃশ্যমান হবে স্বপ্নের সেতুর সাড়ে চার কিলোমিটার অংশ।

শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতুর (মূল সেতু) নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের।

জাজিজা প্রান্তের ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারের উপর বসানো হবে ৩০তম স্প্যান

তিনি জানান, ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারের উপর বসানো হবে স্প্যানটি। এরইমধ্যে স্প্যানের ট্রাসের পেইন্টিং শেষ হয়েছে। এখন হ্যান্ডরেল, স্টেয়ার, ব্যালেন্স লোড স্থাপনের কাজ চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই ৩০তম স্প্যান বসানো হবে। এখন স্প্যান যে অবস্থায় আছে। এতে এটি পিলারের উপর বসাতে সাতদিনের বেশি সময় লাগবে না।

নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের জানান, জুনের মাঝামাঝি ৩১তম স্প্যান বসানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সে প্রস্তুতিও পুরোদমে চলছে। আগেই বসানো স্প্যানের উপরও স্ল্যাব বসে যাচ্ছে হরদম। সেতুর উপরের তলায় রোডওয়ে স্ল্যাব বসবে ২৯১৭টি। নিচতলায় বসবে ২৯৫৯টি। এরইমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে ২৭২৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব। শুক্রবার পর্যন্ত ৫৫৭টি বসানো হয়েছে।

পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে

তিনি আরো জানান, ৩১তম স্প্যান শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি চ্যানেলের মাঝে ৩০ ও ৩১ নম্বর পিলারের কাছে রয়েছে। এখন এর পেইন্টিং চলছে। এ দুটি স্প্যান বর্ষার আগে বসানো সম্ভব হলে জাজিরা প্রান্তের সব স্প্যান বসানো শেষ হবে। এরপর মাওয়া প্রান্তের ১০টি স্প্যান বসানো বাকি থাকবে। মাওয়া প্রান্ত মূল নদীতে হওয়ায় চর জাগার আশঙ্কা থাকবে না। কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর