ঢাকা,  বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

[ লাইফস্টাইল ]

মশার কামড়ে ফোলাভাব ও যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে করণীয়

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৩, ২৭ এপ্রিল ২০২০
মশার কামড়ে ফোলাভাব ও যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে করণীয়
ছবি: মশার কামড়ে ফোলাভাব

মশার উপদ্রব যেন বাড়ছেই! বিশেষ করে এই মৌসুমে মশা অনেকটাই বেড়ে যায়। আর তাইতো এই সময় মশাবাহিত বিভিন্ন রোগও বাড়ে। খেয়াল করে দেখেছেন নিশ্চয়, মশা কামড়ালে বিভিন্ন সময় শরীরে লাল হয়ে ফুলে যায়। 

সেই সঙ্গে যন্ত্রণা আর চুলকানি হয়ে অনেকের অ্যালার্জিও দেখা দেয়। এর থেকে ত্বকের নানা সমস্যাও হতে পারে। তবে আপনি কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকে ব্যবহারের মাধ্যমে এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। জেনে নিন সেগুলো সম্পর্কে- 

> মশা কামড়ানোর স্থান ফুল গেলে বরফ ব্যবহার করুন। ত্বকের ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমাতে বরফ দ্রুত কাজ করে। এছাড়াও ঠাণ্ডা ব্যাগ বা বরফ-কুচি মশা কামড়ানোর স্থানে পাঁচ মিনিট চেপে ধরে রাখুন। দেখবেন দ্রুত ফোলাভাব কমে যাবে।

> মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান। এটা ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে থাকে। মশার কামড়ের জ্বালাপোড়া ভাব ও চুলকানি রোধেও মধু কার্যকরী। এক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণ মধু আক্রান্ত স্থানে মেখে কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

> অ্যালোভেরার রস ত্বকের বিভিন্ন প্রদাহ দূর করে। এতে রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান। যা জ্বালা-পোড়া, ক্ষত ও ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। মশা কামড়ানোর স্থানে অ্যালোভেরা কেটে সরাসরি ব্যবহার করুন। 

> বেকিং সোডা বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। জানেন কি? মশার কামড়ের যন্ত্রণা থেকেও বাঁচায় এই উপাদানটি। এজন্য এক চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন।

> এক্ষেত্রে পেঁয়াজও প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। মশা কামড়ানোর পরপরই কয়েক ফোঁটা পেয়াঁজের রস ব্যবহার করলেই জ্বলুনি কমানো যায়। এতে আছে ফাঙ্গাসরোধী উপাদান। যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএমএস
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!