পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পর্যটন ব্যবসায়ীরা। করমজল, হারবাড়িয়া, দুবলা, কটকা, কচিখালী, নীলকমলসহ সমুদ্র তীরবর্তী ও বনাঞ্চলের সব কটি পর্যটন স্পট দর্শনার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা নতুনভাবে সাজিয়েছেন লঞ্চ ও অন্যান্য নৌযান।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের পরিচালক আবু ফয়সাল মোহাম্মদ সায়েম জানান, বর্তমানে পর্যটকের সাড়া অনেক ভালো। কারণ, দেশের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। বর্ষায় সুন্দরবনে যেতে অন্যরকম মজা আছে। জাহাজের ভেতর থেকে বৃষ্টির পানি ও বন দেখতে অনেক ভালো লাগে।
.png)
এদিকে, বনে যাওয়ার জন্য জাল ও নৌকা সংস্কারসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছেন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের জেলেরা।
জানা গেছে, গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৩ মাস সুন্দরবনে ইকো-ট্যুরিজমসহ বনজীবীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। মূলত সুন্দরবনের প্রাণ প্রকৃতি রক্ষা, বন্যপ্রাণী এবং নদী-খালের মাছের বিচরণ ও প্রজনন কার্যক্রমের সুরক্ষায় সুন্দরবন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে জানান, সুন্দরবন শুধু জীববৈচিত্র্য নয়, মৎস্য সম্পদেরও আধার। ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ও পর্যটকদের সুন্দরবনে ঢোকার পাস (অনুমতি) দেওয়া হবে। নির্ধারিত ফরেস্ট স্টেশনগুলোকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আগে থেকে জেলে-বাওয়ালিরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অনুমতিপত্রের মেয়াদ অনুযায়ী, সুন্দরবনে অবস্থানকারী জেলেদের তালিকা বনরক্ষীদের ক্যাম্প কর্মকর্তার কাছেও থাকবে। বনরক্ষীরা তালিকা অনুযায়ী প্রতিটি খালে টহল দিয়ে অনুমোদন পাওয়া জেলের নৌকা যাচাই করে দেখবেন।