এবার ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ মিলে ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা। এ সুযোগে অনেকে ঘুরতে আসছেন পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সাজেকে।
ঈদুল ফিতরের সঙ্গে বাংলা নববর্ষ ও পাহাড়ের অন্যতম সামাজিক উৎসব বৈসাবি একই সময়ে হওয়ায় দেশ বিদেশের ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটবে খাগড়াছড়ি জেলায়।
.png)
রাঙামাটির রয়েল সাজেক রিসোর্টের পরিচালক জিয়াউল হক জানান, ঈদের আগে ও পরে মিলে রিসোর্টের সব রুম বুকিং হয়েছে। পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন। ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত বুকিং রয়েছে।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম জানান, সাজেকে ২শ কটেজ রিসোর্ট ঈদের জন্য আগাম বুকিং পেয়েছে। রমজানে পর্যটক না থাকায় টানা বন্ধে অনেক কটেজ রিসোর্ট সংস্কার কাজ চালিয়ে এখন পুরোপুরি প্রস্তুত পর্যটন বরণে। আশা করা হচ্ছে ঈদুল ফিতর ও বৈশাখীর ছুটি মিলে দারুণ ব্যস্ততায় সময় কাটবে সাজেকের ব্যবসায়ীদের।
খাগড়াছড়ির আবাসিক হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপক সীমা চাকমা জানান, পুরো রমজান মাস জুড়ে হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় ছিল। ঈদুল ফিতরের জন্য যারা রমজানের মধ্যে বুকিং দিচ্ছেন তারাও এ অফার পাচ্ছেন। পর্যটকদের ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
খাগড়াছড়ি জিপ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেবনাথ জানান, ঈদুল ফিতর, বৈশাখী ও বৈসাবি উৎসব ঘিরে খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম ঘটবে।
খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, বিনোদন কেন্দ্র ছাড়াও এলাকা ভিত্তিক পুলিশের টহল থাকবে ঈদ, বৈসাবি ও বৈশাখকে ঘিরে। খাগড়াছড়িতে আগত পর্যটকরা যেন নির্বিঘ্নে ঘুরাঘুরি করতে পারেন সে লক্ষ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ তৎপর রয়েছে।