শুক্রবার রাতে কটেজ মালিক সমিতি অব সাজেকের সহ-সভাপতি চাইথোয়াই অং চৌধুরী জয় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
চাইথোয়াই অং চৌধুরী জয় জানান, ঈদুল ফিতরের পর থেকে সাজেকে পর্যটক কমে গেছে। মৌসুমে এ সময়ে যেখানে পর্যটকে ভরপুর থাকত সেখানে এখন ফাঁকা সব রিসোর্ট-কটেজ। অলস সময় পার করছেন দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টরা। একই অবস্থা খাবার হোটেলসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের। গত দুই মাস ধরে পর্যটক কম আসায় বন্ধ হয়ে গেছে কিছু কটেজ ও খাবার হোটেল। যারা চালু রেখেছেন তারাও লোকসানে।
.png)
এসব বিষয় বিবেচনা করে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ২৪ জুন থেকে যারা সাজেকের রিসোর্ট, কটেজে বুকিং করবেন তাদের রুম ভাড়ার উপর ১৫শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। আগামী এক মাস এ ছাড় কার্যকর থাকবে।
দার্জিলিং রিসোর্টের মালিক ও সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম জানান, ঈদুল আজহাকে ঘিরে কিছু বুকিং হচ্ছে। আশা করছি দুই মাস যে অচলাবস্থা ছিল তা কেটে যাবে।
মো. বাসার নামে সাজেকে এক হোটেল ব্যবসায়ী জানান, তিনি সাজেকে খাবার হোটেলের ব্যবসা করছেন প্রায় ৮ বছরের মতো। কখনো হোটেল বন্ধ করতে হয়নি। কিন্তু ঈদের পর ২ মাসে পর্যটক সংকটে দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। দোকান ভাড়া ৪৫ হাজার টাকা। তারপর ৭ জন স্টাফের খরচ বহন করতে না পারে এখন দিশেহারা।
কটেজ মালিক সমিতি অব সাজেকের তথ্য মতে, ছোট বড় মিলে এখানে কটেজ-রিসোর্টের সংখ্যা প্রায় ১৫০টি। যার অধিকাংশের মালিকেরা খরচ চালাতে না পারে অনেক স্টাফ ছাঁটাই করেছেন। আর ১৭টি খাবার হোটেলের অর্ধেকই এখন বন্ধ। একই অবস্থা পরিবহণ সংশ্লিষ্টদের।