ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে মর্যাদাপূর্ণ আসর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ৯ বছর আগেই হয়েছে হামজার অভিষেক। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশে লিগটিতে খেলা কোনো ফুটবলার প্রথমবার জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। তার ব্র্যান্ড ভ্যালু কাজে লাগিয়ে কীভাবে দেশের ফুটবলের মার্কেটিং করা যায়, সেই প্রশ্নটাও উঠছে।
বাফুফে সভাপতি অবশ্য সাফ জানিয়ে দিলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনই ভাবছে না ফেডারেশন। হামজাকে দেখে আরো প্রবাসী ফুটবলার লাল-সবুজের জার্সিতে খেলার জন্য উৎসাহিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দলের মধ্যে জয়ের মানসিকতা আনাটাকেই তিনি গুরুত্ব দিলেন।
.png)
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় গুলশানে নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাফুফে সভাপতি। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আনন্দিত। স্বীকার করি সকল জাতীয় দলে আগামীতে যে সকল খেলোয়াড়রা খেলবে, এটা আমাদের দেশের এবং জাতীয় দলের মানটা অনেক উঁচুতে নিয়ে যাবে।’
‘এই মুহূর্তে আমরা ব্র্যান্ড ভ্যালু নিয়ে চিন্তা করছি না, জয়ের রাস্তায় যাওয়া নিয়ে চিন্তা করছি । আমরা চাই জাতীয় দলে ধারাবাহিকতা। তারা ধাবাবাহিকভাবে খেলবে আর আমরা ম্যাচ জিতব। আগের কম গোল খাওয়ার আর হেরে যাওয়ার মানসিকতা থেকে জয়ের মানসিকতায় আমরা সুইচ করে যাব। সেটাই মূলত গুরুত্বপূর্ণ।’
হামজা চৌধুরীর নানা বাড়ি বাংলাদেশের হবিগঞ্জে। ছোটবেলায় সেখানকার আলো-বাতাস না পেলেও বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। এই ফুটবলার খেলেছেন ইংল্যান্ডের যুব দলে। লেস্টার সিটির এই ফুটবলার মাঝে ধারে বুরটন আলবিয়নের পর খেলেছেন ওয়াটফোর্ডেও।
২৭ বর্ষী ফুটবলারকে নিয়ে তাবিথের ভাষ্য, ‘এরকম খেলোয়াড় যখন আসে তখন সেই খেলোয়াড়ের ব্র্যান্ড ভ্যালুর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাকি খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহযোগিতা করা। এটা মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দিতে সহযোগিতা করে। আর অবশ্যই সমর্থকদের আরেকটা আকর্ষণীয় উপাদার দেয় খেলা দেখার জন্য, মাঠে আসার জন্য এবং দলকে সমর্থন করার জন্য।’