বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সিলেটর আউটার মাঠে আলোক সল্পতার কারণে ১৫ ওভারে নেমে আসে, আগে ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রাম ৯ উইকেটে তোলে ১৪৫ রান। জবাবে সিলেট ৪ বল বাকি থাকতে ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায়।
তামিম ৩৩ বলে ১৯৬ স্ট্রাইক রেটে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন। ২৭ বলে মাহফুজুর রাব্বিকে চার হাঁকিয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। তোফায়েল আহমেদকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন।
.png)
এরপর অবশ্য দ্রুতগতিতে উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। দলটির গয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ আসে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের ব্যাটে। ১৭ বলে ২৯ রান করেন তিনি। সিলেটের হয়ে তিন ওভারে ১৯ রান খরচায় ৪টি উইকেট নেন খালেদ আহমেদ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাসান মুরাদ ও নাঈম হাসানদের দাপটে শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় সিলেট। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান জিসান আলম এ দিন প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান। সাদা পোশাকের এনসিএলে দারুণ সময় কাটানো অমিত হাসানকেও শূন্য রানে প্রথম ওভারেই ফেরান হাসান মুরাদ।
একপাশ থেকে তৌফিক খান তুষার লড়াই চালিয়ে গেলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। তিনি ৩৬ বলে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন। চট্টগ্রামের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন হাসান মুরাদ ও নাঈম। ২ উইকেট নেন আহমেদ শরিফ।