২০২৩ সালের জুনে পিএসজি থেকে মায়ামিতে যোগ দেয়া মেসি চোট এবং জাতীয় দলের ব্যস্ততার কারণে ৬২ দিন দলের বাইরে ছিলেন। তবুও তিনি মৌসুমে ১৯ ম্যাচ খেলে ২০ গোল এবং ১৬ অ্যাসিস্ট করেন, যা তাকে সবার থেকে আলাদা করেছে।
পারফরম্যান্স মূল্যায়নে ৩৪.৪৩ শতাংশ ভোট পেয়ে এমএলএসের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন মেসি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কলাম্বাস ক্রুর কুচো এর্নান্দেস পান ৩৩.৭০ শতাংশ ভোট।
.png)
মায়ামির ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন মেসি। তার নেতৃত্বে দলটি প্রথমবারের মতো সাপোর্টার্স শিল্ড জয়ের গৌরব অর্জন করে। ইস্টার্ন কনফারেন্সে তারা ২২ জয় ও ৮ ড্রয়ের মাধ্যমে ৭৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে একটি রেকর্ড গড়ে।
তবে এমএলএস কাপে সাফল্যের স্বাদ পায়নি মেসি ও তার দল। প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডেই হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। পুরস্কার হাতে নিয়ে মেসি এ আক্ষেপের কথাই তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘আমি এই পুরস্কারটি অন্য এক পরিস্থিতিতে পেতে চাই। যেমন শনিবারের ফাইনালে খেলে। এই বছর এমএলএস চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনেক বড় স্বপ্ন ছিল আমাদের। এবার সেটা পূর্ণ হয়নি। তবে আগামী বছর আমরা আরো শক্তিশালী হয়ে আবার চেষ্টা করবো।’