বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে অলআউট হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের প্রথম ইনিংসে থামে ৩০৮ রানে। ২০২ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩০৭ রান করে টাইগাররা।
যদিও এই ইনিংসেও শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। দলীয় ১১২ রানে ছয়জন ব্যাটার ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। ফলে ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কা জাগে। আর তখনই জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে ১৩৮ রানের জুটি গড়েন মিরাজ।
.png)
এই জুটিতে জাকের করেন ৫৮ রান। মিরাজ চতুর্থ দিন পর্যন্ত টিকে থেকে করেন ৯৭ রান। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও বাংলাদেশকে ১০৬ রানের লিড উপহার দেন তিনি। যদিও সেই লক্ষ্য সহজেই টপকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০৭ রান করেছে। অসাধারণ একটি ইনিংসে দলকে শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন মিরাজ। এ ছাড়া উল্লেখ করার মতো খেলেনি কেউই। শান্ত নিজে দুই ইনিংসে করেন ৭ ও ২৩ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজের অসাধারণ ইনিংসটিকে এই টেস্টের একমাত্র ‘ইতিবাচক’ দিক হিসেবে ধরে নিচ্ছেন শান্ত। ম্যাচ হারের পর তিনি বলেন, ‘আমরা দল হিসেবে হেরেছি। আমরা আলাদাভাবে নির্দিষ্ট কাউকে দোষ দিচ্ছি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ম্যাচে ফিরে আসতে পারাটা দারুণ। আমরা দুইশ রান পিছিয়ে ছিলাম তবে ম্যাচে ফেরাতে মিরাজ দারুণ খেলেছে। এর আগে এমনটা আমরা অনেক বেশি করিনি। এটা দারুণ কিছুই ছিল।’
শান্ত যোগ করেন, ‘ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে নতুন বলে আমাদের আরো দায়িত্ব নিতে হবে। বোলিং গ্রুপ হিসেবেও আমাদের উন্নতির জায়গা আছে। পরের ম্যাচে দল হিসেবে আমাদের ভালো খেলতে হবে।’