ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

বিপিএলের গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে ইমরুলের প্রশ্ন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:৫১, ১১ অক্টোবর ২০২৪
বিপিএলের গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে ইমরুলের প্রশ্ন
ইমরুল কায়েস

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলতে আগ্রহী দেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনকৃত ১৮৮ জনের তালিকা ফ্র্যাঞ্চাইজিদের হাতে পৌঁছে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ তালিকার গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস।

শুক্রবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বিষয়টি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও জাতীয় দলে আর ফিরতে না পারার কথা তুলে ধরেন। এবারের আসরে ইমরুল ‘সি’ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধিত হয়েছেন। 

বাঁহাতি এই ব্যাটার লিখেছেন, ‘বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগে ক্রিকেটারদের গ্রেডিং দেখে চিন্তা করছি গ্রেডিংটা আসলে কিসের ভিত্তিতে করা হয়। জাতীয় দল, সারা বছরের ঘরোয়া পারফরম্যান্স, বিপিএলের পারফরম্যান্স নাকি শুধু নাম দেখে করা হয়। বছরজুড়ে ক্রিকেটের আশেপাশে না থাকা ক্রিকেটারের জায়গা হলো ‘বি’ গ্রেডে। অথচ গত বিপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা ক্রিকেটাররা ‘সি’ গ্রেডে। তবে কি শুধু নাম কিংবা চেহারা দেখেই বিপিএলের ড্রাফটের গ্রেড নির্ধারণ করা হয়?’

Advertisement

‘বিপিএলে ভালো করতে না পারার মাশুল গুনতে হয়েছিল জাতীয় দলে জায়গা হারিয়ে। তিনি বলেন, বিপিএলের ২০১৮-১৯ মৌসুমে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে আমি ভালো করতে পারিনি। যে কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজের পর আমাকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিসিবির একজন কর্মকর্তার সঙ্গে যখন কথা হলো তখন বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, বিপিএলে আমার পারফরম্যান্স তুলনামূলক ভালো ছিল না। যেহেতু প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারিনি তাই আমি কোনো সংকোচ ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলাম।’ 

‘জাতীয় দলে ফিরতে আমি কঠোর পরিশ্রম করতে থাকি। ২০১৯-২০ মৌসুমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ১৩ ম্যাচে ৪৪২ রানও করেছিলাম। কিন্তু এমন পারফরম্যান্সের পরও আমাকে জাতীয় দলে ডাকা হয়নি। এমনকি জাতীয় দলের কোন ক্যাম্পেও রাখা হয়নি। তবে কি বিপিএলে পারফর্ম না করলেই বাদ? কিন্তু পারফর্ম করলে, সেটাও তো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের ক্রিকেটের দুর্দিন কি তবে শেষ হবে না?’ 

আগামী ১৪ অক্টোবর হতে যাওয়া ড্রাফটে ক্রিকেটারদের ৬ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হচ্ছে। যেখানে একজন ক্রিকেটার সর্বোচ্চ ৬০ লাখ এবং সর্বনিম্ন ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে পাবেন।

‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা ৬০ লাখ, ‘বি’ ৪০ লাখ, ‘সি’ ২৫ লাখ, ‘ডি’ ২০ লাখ, ‘ই’ ১৫ এবং ‘এফ’ ক্যাটারগরিতে থাকা ক্রিকেটাররা পাবেন ১০ লাখ টাকা করে। যা আগের বিপিএল আসরগুলোর তুলনায় খানিকটা কম।

বিপিএলের গত আসরের হিসেব অনুযায়ী 'এ' ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা ৮০ লাখ, ‘বি’ ৫০ লাখ, ‘সি’ ৩০ লাখ, ‘ডি’ ২০ লাখ, ‘ই’ ১৫ লাখ, ‘এফ’ ১০ লাখ এবং ‘জি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা ৫ লাখ টাকা করে পেয়েছিলেন। 

‘এ’ ক্যাটাগরিতে আছেন ১২ ক্রিকেটার। এছাড়া ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ১২ জন, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ২২ জন, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ২৮ জন, ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৫১ জন এবং ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে ৬৩ জন আছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/শুভ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!