ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

‘বেঞ্চ’ থেকে সাফ সেরা গোলরক্ষক আসিফ 

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১:০৬, ২৮ আগস্ট ২০২৪
‘বেঞ্চ’ থেকে সাফ সেরা গোলরক্ষক আসিফ 
সাফ সেরা ও সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরাজুল ইসলামের সঙ্গে সেরা গোলরক্ষক মো. আসিফ

ভারতের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৬৫ মিনিটের দিকে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক ও নিয়মিত গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। বদলি গোলরক্ষক হিসেবে নেমে বাজিমাত করেন মো. আসিফ।  টাইব্রেকারে দুটি শট ঠেকিয়ে তিনি বনে যান বাংলাদেশের জয়ের নায়ক। গুরুতর চোটে শ্রাবণ ফাইনালের আগে দল থেকে ছিটকে গেলে তাকেই মাঠে নামতে হয়। গোলপোস্টের সামনে ছিলেন সাবলীল। দুই ম্যাচ খেললেও গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আসিফ জিতলেন আসরের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার। 

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা গোলরক্ষক হওয়ার পর সাক্ষাৎকারে আসিফ বলেছেন, ‘আমার মা-বাবার দোয়া, আত্মীয় স্বজন এবং দেশবাসীর দোয়ায় বয়সভিত্তিক পর্যায়ে, আমি আসলে আসরের সেরা গোলকিপার হতে পেরেছি।’

Advertisement

সেমিফাইনালে ভারতের গাংতের নেয়া প্রথম শট রুখে দেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক। আকাশ তিরকি শেষ শটটি পা দিয়ে ঠেকান আসিফ, ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ফাইনালের টিকিট কাটে মারুফুল হকের শিষ্যরা। 

ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে বড় পরীক্ষার সম্মুখীন অবশ্য আসিফকে হতে হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে নেপালের নেয়া একটি শটের গতি-প্রকৃতি বুঝতে না পারায় গোলপোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। সামির তামাং হেডে বল জালে জড়িয়ে দিলে স্বাগতিকরা একটি গোল শোধ করে দেয়। যদিও বাংলাদেশ ৪-১ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতে ব্যবধানে। সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে তাক লাগানো আসিফ নির্বাচিত হন আসর সেরা গোলরক্ষক।

ফাইনালের আগের দিন মঙ্গলবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আসিফ বলেছিলেন, ‘আসলে আমরা সবাই প্রস্তুত ছিলাম। যারা মাঠে নামবে বা বেঞ্চে যারা থাকবে সবাই, কারণ যেভাবেই হোক ম্যাচটা আমরা জিততে চেয়েছিলাম। কোচ আমাদের আগেই জানান, যারা বেঞ্চে থাকবে তারা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বদলি হিসেবে যে নামবে সে যেন তার কাজটা ঠিকঠাক মতো করতে পারে।’ 
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/শুভ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!