পুরস্কার বিতরণীপর্বের আগে সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ দলের কোচ এই অর্জন আন্দোলনে জীবন দানকারী সকলের প্রতি উৎসর্গের কথা জানান। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।
আমি ট্রফিটা উৎসর্গ করতে চাই আমাদের বীরদের, যারা গত মাসে ও চলতি মাসে তাদের জীবন দান করেছেন আমাদের নতুন বাংলাদেশের জন্য। আমি সবসময় ট্রফি ও সাফল্য তাদের উৎসর্গ করতে চাই।’
রাজনৈতিক অস্থিরতার পর সরকারের পালাবদলের কয়েকদন পর দেশের অনেক স্থানে দেখা দিয়েছে বন্যা। সংকটকালীন সময়ে এই জয় দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে বলেই বিশ্বাস মারুফুলের।
.png)
‘গত মাসে আর চলতি মাসের শুরুতে আমরা অনেক বীরদের হারিয়েছি। গত সপ্তাহ থেকে মারাত্মক বন্যা চলছে। অনেক পরিবার এতে আক্রান্ত হয়েছে, অসহায়ত্বের ভেতর পড়েছে। খাদ্য ও পানীয় জলের অভাবের মাঝে রয়েছে। নতুন সরকার দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে। আশা করি এই শিরোপা জয় দেশের সকল মানুষকে বাংলাদেশ বিনির্মাণে অনুপ্রাণিত করবে।’
স্বাগতিকদের কাছে গ্রুপের ম্যাচে ২-১ গোলে হারলেও ফাইনালের মঞ্চে হিমালয়ের দেশটিকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। কেমন ছিল মাঠে নামার আগের পরিকল্পনা, সেটিও খোলামেলা আলাপে জানালেন বাংলাদেশ দলের কোচ।
‘ম্যাচের আগে পরিকল্পনা ছিল আমরা ধীরেসুস্থে আরম্ভ করবো। ফাইনালের আগে আমরা একদিন সময় পেয়েছি, নেপাল পেয়েছে দুই দিন। একদম শুরুতেই গতিময় ফুটবল খেললে তা খেলোয়াড়দের জন্য চাপের কারণ হতে পারতো। নেপাল অবশ্যই ভালো দল। একসময় লক্ষ্য করলাম তাদের পারফরম্যান্স তেমন আহামরি ছিল না, যা তাদেরকে পিছিয়ে দিয়েছিল।’
‘আমি খেলোয়াড়দের বারবার বলছিলাম নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবলটা খেলে যাও। উপমহাদেশের দলগুলোর একটা সমস্যা, স্বাভাবিক ফুটবল না খেলতে পারা। পাসের মাধ্যমে মাঠে জায়গা বদল করতে পারলেই সহজে সাফল্য আসে।’