আগামী ৫ ও ৮ সেপ্টেম্বর ভুটানের বিপক্ষে ফিফা উইন্ডোতে দুটি প্রীতি ম্যাচ সামনে রেখে সোমবার থেকে ফুটবলাররা ক্যাম্প শুরু করেছেন। ক্যাম্পে যোগদানের পর বাংলাদেশের ফুটবলের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাক্ষাৎকারে নিজের মতামত তুলে ধরেন জামাল।
আসন্ন ঘরোয়া ফুটবলে খেলোয়াড়দের বাজারদরে নেমেচে ব্যাপক ধস। ৫০-৭০ লাখ টাকা হাঁকানো ফুটবলাররা এবার মাত্র কয়েক লাখ টাকা পারিশ্রমিকে মাঠে নামবেন। একাধিক ক্লাব দল গঠনে অপারগতার কথাও জানিয়ে দিয়েছে।
.png)
সংকটকালীন সময় পেরিয়ে সুদিন ফেরার অপেক্ষায় থাকা জামাল বলেন, ‘ফুটবল একটু নিচে চলে গেছে। আমি চাই ফুটবল সব সময় এগিয়ে থাকবে। এই দেশে ক্রিকেট আছে, আর্চারি, রানিং আছে, আমি চাই ফুটবল এক নম্বর থাকবে।’
ছাত্র আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কয়েকটি বার্তা দিয়েছিলেন লাল-সবুজের দলের অধিনায়ক। উত্তাল সেই সময় নিয়ে তার ভাষ্য, ‘যখন শুরু হয় তখন আমি জার্মানিতে ছিলাম। ইউরো চলছিল, আমি কাজ করছিলাম। আমার কাজিনরা দেশে (বাংলাদেশ) ছিল, বলছিল তুমি কিছু বলো। আমার কাজিনের বন্ধুও মারা গেছে। তাদের কাছে পুরো বিষয়টি শোনার পর আমি বলেছি।’
ফিফা র্যাংকিংয়ে ভুটান বড় কোনো দল নয়। তাদের বিপক্ষে খেলে বাংলাদেশের উন্নতি কতটুকু হবে তা জানতে চাইলে জামালের উত্তর, ‘বাংলাদেশ দল ভালো। ফেডারেশন ভূটানের সঙ্গে ঠিক করেছে খেলা। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। আমরা ছয় পয়েন্টই নিয়ে র্যাংকিং ভালো করতে চাই।’
গত জুনে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের পর মাঝে ঘরোয়া লিগ ছিল না। দীর্ঘ সময় ফুটবলের বাইরে থাকা ফুটবলারদের ফিটনেস প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অধিনায়কের ভাষ্য, ‘কোচ আমাদের কিছু প্রোগ্রাম দিয়েছিল। সেই সব সময় খোঁজ রাখতো কী খেয়েছি, কী করছি। সেটা প্রমাণ দেখাতে হতো। প্রথম দিকে ছন্দে থাকাটা একটু সমস্যা হতে পারে। পরে ঠিক হয়ে যাবে।’