পার্ক দ্য প্রিন্সেসে অবশ্য শুরুটা দারুণ করেছিল ফ্রান্স। ১১তম মিনিটেই এঞ্জো মিলোতের গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। তবে সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে খেলায় দারুণভাবে ফিরে আসে স্পেন।
জোড়া গোল করে স্প্যানিশদের পথ দেখান ফেরমিন লোপেজ। বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড স্পেনের ইউরোজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ২৮তম মিনিটে ব্যবধান আরো বাড়ান আলেহান্দ্রো বায়েনা।
দুই গোলের লিড স্পেন ধরে রেখে জয়ের পথ মসৃণ করে ফেলে। তবে ৭৯তম মিনিটে আকিলিউচে গোল করে ফরাসিদের ব্যবধান কমান। সেখান থেকে প্রেরণা খুঁজে শেষ পর্যন্ত ম্যাচেও ফিরে আসে ফ্রান্স।
.png)
স্পেন যখন জয়ের অপেক্ষায় তখনই পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। জন ফিলিপ মাতেতা সফল স্পট কিকে ফ্রান্সকে সমতায় ফিরিয়ে ম্যাচের ভাগ্য নিয়ে যান অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই বাজিমাত স্পেনের।
একশ মিনিটের মাথায় স্পেনকে লিড এনে দেন বদলি নামা সের্হিয়ো ক্যামেও। আর শেষ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান এই ফরোয়ার্ডই। তাতেই সোনার পদক নিশ্চিত হয়ে যায় স্প্যানিশদের।