টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছে বুমরাহ। তার আগে ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ১৩ উইকেট ও ৬ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের স্যাম কুরান। এবারের আসরে ১৫ উইকেট পেলেও ব্যাটে কোনো রান পাননি তিনি।
এবারের আসরে ৯ ম্যাচের একটিতে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন বুমরাহ। সেটিও আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে আবার গোল্ডেন ডাক খেয়েছেন তিনি। তবুও টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার জিতেছেন ডানহাতি এই পেসার।
.png)
এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে বুমরাহ কেন টুর্নামেন্টসেরা হলেন? কারণ ভারতের শিরোপা জেতায় যথেষ্ট প্রভাব রেখেছেন তিনি, বা বলা যায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব। তার ছোটখাটো প্রমাণ পাওয়া যায় বুমরাহর বোলিং ইকোনমির দিকে তাকালে। এই বিশ্বকাপে ওভারপ্রতি ৪.১৭ করে রান দিয়েছেন তিনি। যা কমপক্ষে ৫ ম্যাচ খেলাদের মধ্যে সর্বনিম্ন।
বুমরাহ যে মাপের রত্ন, সেটা অনুধাবন করেই হয়তো ওয়াসিম জাফর একবার বলেছিলেন, ‘ফরম্যাট, কন্ডিশন, প্রতিপক্ষ, পাওয়ার প্লে, মিডলওভার, ডেথওভার কিছুই ম্যাটার করে না তার কাছে। সব পরিস্থিতিতেই ভালো করার মাল-মশলা আছে ভারতীয় পেসারের মধ্যে।’
জাফরের কথার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করার মতো কাউকে কি খুঁজে পাওয়া যাবে? নির্ধিদ্বায় ‘না’-ই বলা যায়, এতটাই নিখুঁত ৩০ বছর বয়সী পেসার। যেন লাইন-লেংথ মেপে মেপে বল করেন তিনি। সিম মুভমেন্ট, সুইং, বাউন্সার তো আছেই।
এর আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ২০০৭ সালের আসরে গ্লেন ম্যাকগ্রা ও ২০১৫ সালের আসরে মিচেল স্টার্ক কোনো রান না করেই টুর্নামেন্টসেরা হন।