ডাসেলডর্ফে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শেষ ষোলর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামবে ফ্রান্স। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের কোনটিই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি।
শেষ দিনে পোল্যান্ডের সাথে গ্রুপ পর্বে ড্র করে নক আউট পর্বে উঠেছে ফেবারিট ফ্রান্স। বেলজিয়ামও ইউক্রেনের সাথে শেষ ম্যাচে ড্র করে কোনমতে পরের রাউন্ডে উঠেছে।
.png)
‘ডি’ গ্রুপে অস্ট্রিয়া ও নেদারল্যান্ডসকে পরাজিত করায় দিদিয়ের দেশমের দলকে টেবিলের দ্বিতীয় স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এতে ফাইনালে যেতে হলে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে তাদের। শিরোপার মঞ্চে পৌঁছাতে তাদের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে পর্তুগাল, জার্মানি ও স্পেন।
গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স মাত্র একটি গোল হজম করেছে। যে কারণে এখনো কোন গোল না খাওয়া স্পেনের পরে দ্বিতীয় সেরা ডিফেন্সিভ রেকর্ডের মালিক হয়েছে ফ্রান্স। লিওয়াসদোস্কির পুনরায় নেয়া স্পট কিক থেকে দেশ্যমের দল সব ধরনের প্রতিযোগিতায় শেষ পাঁচ ম্যাচে প্রথম গোল হজম করেছে। আর এই পরিসংখ্যানই বেলজিয়ামকে কিছুটা হলেও সমস্যায় ফেলেছে।
গ্রুপ-ই থেকে তিন ম্যাচে কোন গোল করতে না পারা বেলজিয়ামকে ফ্রান্সের বাঁধা পেরুতে হলে এই পরিসংখ্যানকে খাটো করতেই হবে। গ্রুপ-ই’তে থাকা চার দলই শেষ পর্যন্ত চার পয়েন্ট নিয়ে প্রথম রাউন্ড শেষ করেছে যা ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশীপে একটি বিরল রেকর্ড।
কোচ ডোমেনিকো টেডেসকোর বেলজিয়াম গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে রোমানিয়াকে ২-০ গোলে পরাজিত করে লড়াইয়ে ফিরেছিল। কিন্তু শেষ ম্যাচে ইউক্রেনের সাথে গোলশুন্য ড্র করে। এই ড্রয়ে ইউক্রেনের এবারের আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়। বেলজিয়াম রোমানিয়ার পর গোল ব্যবধানে পিছিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থান লাভ বরে। গ্রুপ পর্বে মাত্র দুই গোল করা টেডেসকোর দল আক্রমনভাগের সমাধান খোঁজার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে।
এমবাপ্পে শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পেলেও রোমেলু লুকাকু এখনো ইউরো ২০২৪’এ গোলের খাতা খুলতে পারেননি। গ্রুপ পর্বে স্লোভাকিয়ার কাছে ১-০ গোলের হারের মধ্য দিয়ে আসর শুরু করেছিল রেড ডেভিলসরা। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ১৮ ম্যাচে এটি বেলজিয়ামের একমাত্র হার।
২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বেলজিয়াম ১-০ গোলে ফ্রান্সের কাছে পরাজিত হয়েছিল। ২০২১ নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে দেশমের দল ৩-২ গোলে জয়ী হয়। লেস ব্লুজদের হারাতে পারলেও কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে পর্তুগাল অথবা স্লোভেনিয়ার মোকাবেলা করতে হবে।