সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৮৮ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮২ রানেই গুটিয়ে গেছে। শ্রীলংকা নিজেদের দুই ইনিংসে যথাক্রমে ২৮০ ও ৪১৮ রান করেছে। বাংলাদেশের হার ৩২৮ রানে। রানের দিক থেকে ৬ষ্ঠ সর্বোচ্চ ব্যবধানে টাইগারদের পরাজয় দেখতে হলো সিলেটে।
এর আগে শ্রীলংকার বিপক্ষে ২০০৯ সালে ৪৬৫ রানে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই লঙ্কানদের বিপক্ষে ফের রেকর্ড ব্যবধানেই হারতে হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তদের। সিলেট টেস্টে লঙ্কানদের ছুঁড়ে দেওয়া ৫১১ রানের বিশাল লক্ষ্যের সামনে টাইগারদের ইনিংস শেষ হলো ১৮২ রানে।
.png)
পাঁচ উইকেটে ৪৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। এদিন নিজের খেলা প্রথম বলেই আউট হন তাইজুল ইসলাম। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করা মেহেদী মিরাজ ফিরেছেন ৩৩ রানে।
এরপর উইকেটে এসে মুমিনুলকে কিছুটা সঙ্গ দেন শরিফুল ইসলাম। তবে তিনিও ৪২ বল মোকাবিলা করে ১২ রান করেন। তবে ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন খালেদ আহমেদ ও নাহিদ রানা। দুজনেই শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন। তাদের বিদায়ে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৮২ রানে।
ঘরের মাঠে ব্যাটারদের ব্যর্থতার ভিড়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ৮৭ রানে অপরাজিত ছিলেন মুমিনুল। সঙ্গী না পাওয়ায় সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে।
শ্রীলংকার হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করেন কাসুন রাজিথা। এছাড়াও তিনটি উইকেট নিয়েছেন বিশ্ব ফার্নান্দো।
এর আগে পাঁচ উইকেটে ১১৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলংকা। এদিন সপ্তম উইকেটে ১৭৩ রান যোগ করে ধনঞ্জয় ডি সিলভা-কামিন্দু মেন্ডিস জুটি। সেঞ্চুরির দেখা পেলেও মিরাজের ঘূর্ণিতে ১০৮ রানে কাটা পড়েন ধনঞ্জয়া।
ধনঞ্জয়া সাজঘরে ফিরলে উইকেটে লড়াই করেছেন কামিন্দু মেন্ডিস। শেষ পর্যন্ত ১৬৮ রানে থেমেছেন তিনিও। তার উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল। বাংলাদেশের হয়ে চারটি উইকেট শিকার করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।