আলোচনা মাঠের পারফরম্যানস নয়, বরং ম্যাচে মেসির উপস্থিতি নিয়ে। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলারকে এক ম্যাচে দেখা যাচ্ছে তো অন্য ম্যাচে পাওয়া যাচ্ছে না।
গত রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) হংকং স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মেসিকে নামানোই হয়নি। যদিও আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলারের খেলার কথা ছিল ৪৫ মিনিট। এমনকি গতকাল জাপান ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ভিসেল কোবের বিপক্ষে খেলা নিয়েও ছিল ‘যদি কিন্তু’। শেষ পর্যন্ত মেসি নেমেছেন ৬০ মিনিটে। এখানেই প্রশ্ন তুলেছে হংকংয়ের শিল্প, ক্রীড়া ও টুরিজম ব্যুরো।
.png)
এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘সে যা-ই হোক, তিন দিন পর মেসি বেশ সাবলীলভাবে জাপানে খেলেছেন। সরকার আশা করছে যে আয়োজক ও দল যথাযথ ব্যাখ্যা দেবে।’
হংকং একাদশের বিপক্ষে গতকাল হংকং স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইন্টার মায়ামি। এই ম্যাচের আয়োজক ছিল টেটলার এশিয়া। ম্যাচটি দেখতে স্টেডিয়ামে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তাতে আয়োজকদের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হংকং সরকার। একই সঙ্গে তাদের (আয়োজক) থেকে ডলার কেটে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সরকার।
সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘মেজর স্পোর্টস ইভেন্ট কমিটি (এমএসইসি) ১৯ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছিল, বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০ লাখ ডলার (১১ কোটি ৮ লাখ টাকা) ছিল স্টেডিয়ামের জন্য। মেসিকে আজ না খেলানোয় সরকারের পাশাপাশি ফুটবল ভক্তরা আয়োজকদের আয়োজন নিয়ে ভীষণ হতাশ। সব ফুটবল সমর্থকদের কাছে এর ব্যাখ্যা আয়োজকদের দিতে হবে। মেসি না খেলায় তহবিলের পরিমাণ কমে গেছে। শর্তাবলী দেখে আয়োজকদের ওপর ব্যবস্থা নেবে এমএসইসি।’