ম্যাচের ৭৭ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ার জার্সিতে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ফেইর। ততক্ষণে তার দল ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি। কিন্তু ছেলে ও মেয়েদের বিশ্বকাপ মিলিয়ে অসাধারণ একটি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তিনি। ফুটবল বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় যে এখন এ ফরোয়ার্ড।
ফেইর যখন আজ মাঠে নামেন, তার বয়স ১৬ বছর ২৬ দিন। এর আগে রেকর্ডটি ছিল নাইজেরিয়ার মেয়ে ইফিয়ানি চিয়েজিনের। ১৯৯৯ নারী বিশ্বকাপে তিনি খেলতে নেমেছিলেন ১৬ বছর ৩৪ দিন বয়সে।
.png)
ছেলে ও মেয়েদের বিশ্বকাপ মিলিয়ে চিয়েজিনে ভেঙেছিলেন নরম্যান হোয়াইটসাইডের রেকর্ড। ১৯৮২ বিশ্বকাপে সাবেক যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে তিনি যখন খেলতে নামেন, হোয়াইটসাইডের বয়স ছিল ১৭ বছর ৪০ দিন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে দুই ম্যাচ খেলে ৫ গোল করে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পান ফেইর।
দলটির ইংলিশ কোচ বেল ফেইরকে নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত, ‘ক্যাম্পে সে দুর্দান্ত ছিল।’
বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম ম্যাচে ফেইরের কোনো প্রভাব রাখতে না পারা নিয়ে বেল বলেছেন, ‘২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় নেমে প্রভাব রাখাটা যেকোনো বয়সের খেলোয়াড়ের জন্যই কঠিন।’