১৯৯৪ সালের ২১ জুন ফক্সবোরোর জিলেট স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামে গ্রিস। এ ম্যাচে গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা হ্যাটট্রিক করেন। বাকি গোলটি করেন ম্যারাডোনা। এতে বলকান দেশটির বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় জয় পায় লাতিন আমেরিকার জায়ান্টরা।
এদিন শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যান্তোনিও মিনৌকে ফাঁকি দিয়ে গ্রিসের জালে বল পাঠিয়ে দেন বাতিস্তুতা। এরপর দু’দলের পাল্টাপাল্টি আক্রমনে জমে উঠে লড়াই। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দূরপাল্লার বুলেট গতির শটে আর্জেন্টিনার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বাতিস্তুতা।
.png)
এরপর কোনো গোল না হওয়ায় ২ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় দু’দল। বিরতি থেকে ফিরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে গ্রিস। তবে কিছুক্ষণ পরেই ছন্দ হারিয়ে তৃতীয় গোল হজম করে গ্রিকরা।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে ফ্রেনান্দোর রেনোন্দোর ডিফেন্স চেরা পাস থেকে দুর্দান্ত গোল করেন ম্যারাডোনা। যেটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে ম্যারাডোনার শেষ গোল।
বিশ্বমঞ্চে গোল করে আরো ২৩ মিনিট জিলেট স্টেডিয়ামে দাপিয়ে বেড়ান ম্যারাডোনা। পরে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেয়া হয়। তার বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন অ্যারিয়েল অরতেগা।
আজেন্টিনার জাদুকরি ফুটবলে রীতিমতো দিশেহারা গ্রিস ৯০ মিনিটের সময় ডি বক্সের ভেতরে ফাউল করে বসে। এর ফল হিসেবে আকাশী-সাদারা পেনাল্টি পায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্পট কিক থেকে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বাতিস্তুতা।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় গ্রিসের বিপক্ষে ৪-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
প্রসঙ্গত, আমেরিকা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে দুই ম্যাচে মাঠে নামেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। এই দুই ম্যাচে মাত্র একটি গোল করেন তিনি। সেটিও আবার গ্রিসের বিপক্ষে। ওই ম্যাচের পর ড্রাগের জন্য বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হন আলবিসেলেস্তেদের সর্বকালের সেরা ফুটবলার।