মিশরের দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল লিগে সুয়েসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আল-নাসর। ম্যাচের শেষ দিকে সুয়েসের জালে বল পাঠায় আল-নাসর। দলটি ভেবেছিল তারা সমতায় ফিরিয়েছে এবং গোলের আনন্দেও করে।
এদিকে হ্যান্ডবলের আবেদন করে সুয়েসের খেলোয়াড়রা। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তি না থাকায় মোবাইলে ভিডিও পর্যালোচনা করে গোল বাতিল করেন রেফারি। আর তাতেই বাঁধে বিপত্তি। নাসরের খেলোয়াড়রা মারমুখী হলে পুলিশি পাহারায় মাঠে ছাড়েন রেফারি।
.png)
শুক্রবার মিশরের দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল লিগে সুয়েসের বিপক্ষে ম্যাচে মোহামেদ ফারুক নামে এক দর্শক ওই ম্যাচটি ফোনে ধারণ করেন। মিশরের ওই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় সারির হওয়ায় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির ব্যবহার নেই। খেলার একেবারে ম্যাচের শেষ দিকে সুয়েসের জালে বল পাঠায় আল-নাসর। কিন্তু হ্যান্ডবলের আবেদন করে সুয়েসের খেলোয়াড়রা। এরপর দীর্ঘ সময় ফোনে ভিডিও পর্যালোচনার পর গোল দেননি রেফারি।
নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময় দেওয়া হয় ১৫ মিনিট। শেষ পর্যন্ত সুয়েস ম্যাচটি জিতে নেয় ৩-১ গোলে।
এদিকে ওই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় খেলা শেষে আল-নাসরের খেলোয়াড়রা রেফারিকে ঘিরে ধরেন। প্রতিবাদের মুখে পুলিশি নিরাপত্তায় মাঠ ছাড়তে হয়েছে রেফারিকে। নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে আল-নাসর ক্লাব কর্তৃপক্ষ।