নারী লাঞ্ছনার দায়ে চাকরি হারালেন গিগস
ইউরো-২০২০ পর্যন্ত ওয়েলসের কোচ থাকার কথা থাকলেও চাকরি হারিয়েছেন সাবেক তারকা ফুটবলার রায়ান গিগস। দুজন নারীকে লাঞ্ছিত করার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই কিংবদন্তি।
গিগসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্যালফোর্ডে গত নভেম্বরে ৩০ বছর বয়সী একজন নারীকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছিলেন গিগস। এরপর ২০ বছর বয়সী আরেক নারীকেও আক্রমণ করেছিলেন তিনি।
ম্যানচেস্টার পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভুক্তভুগীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ নভেম্বর ওরসলিতে গিয়ে ৩০ বছর বয়সী একজন নারীকে ছোটখাট আঘাতের জন্য চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। শুনানির জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল ম্যানচেস্টার ও স্যালফোর্ডের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে হবে গিগসকে।
.png)
এদিকে ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিশ্চিত করেছে, গিগসের জায়গায় সহকারী কোচ রবার্ট পেজ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে দলের হাল ধরবেন। অবশ্য শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন সাবেক এই ফরোয়ার্ড। অভিযুক্ত হওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে গিগস বলেন, আইনের প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান আছে। আমি অভিযোগগুলোর গুরুত্বও বুঝতে পারছি। আদালতে আমি অবশ্যই নিজেকে নির্দোষ দাবি করব।
১৯৯১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ওয়েলসের হয়ে ৬৪ ম্যাচ খেলেছেন গিগস। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন তিনি। তার হাত ধরেই ২০২০ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পেরোয় দলটি। চাকরি হারানোয় প্রতিযোগিতাটির মূল পর্বে কোচ হিসেবে তার সহকারী কোচ পেজ কাজ করবেন। তাকে শুভকামনা জানিয়েছেন গিগস।