ঢাকা,  রোববার   ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্পটলাইট ]

আন্দোলনের অন্তরালে কি শুধুই মজুরি বৃদ্ধির দাবি?

মো. শাহজাহান
প্রকাশিত: ১৯:৫৪, ১ নভেম্বর ২০২৬
আন্দোলনের অন্তরালে কি শুধুই মজুরি বৃদ্ধির দাবি?
ছবি: সংগৃহীত

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরও সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ। একদিকে দ্রব্যমূল্য ও বাড়িভাড়ার চাপে দিশাহারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি, অন্যদিকে উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা। এর মধ্যে আন্দোলনে বহিরাগতদের সম্পৃক্ততা ও উসকানির অভিযোগও উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে, শ্রমিকদের প্রকৃত অসন্তোষের পাশাপাশি কোনো স্বার্থান্বেষী মহল কি পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তোলার সুযোগ নিচ্ছে?

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পোশাক শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি বাস্তব। ২০২৩ সালে নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে খাদ্য, বাসাভাড়া, পরিবহন ও চিকিৎসার খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে—এ কথা অনেক শ্রমিকই বলেছেন। দাবি ৩০ হাজার টাকার। সরকার এ দাবির আলোকে শনিবার শ্রম ভবনে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর রোববার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা আসে। চেয়ারম্যান হিসেবে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএ পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন এবং বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব রয়েছেন। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিও এ বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত। বোর্ড ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করবে।

মজুরি বোর্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরও রোববার সকাল থেকে মিরপুর-১০ মোড়ে সড়ক অবরোধ করা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, সাফিপুর, কোনাবাড়ী এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। সাভার-আশুলিয়ায়ও রাস্তায় নামেন তারা। অন্তত ৮০ থেকে ১০০-এর বেশি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়। কিছু স্থানে পিকআপ ভ্যান, গুদাম বা পুলিশ বক্সে আগুন লাগানোর খবর পাওয়া গেছে। গাজীপুরে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মজুরি বোর্ড গঠন সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন শ্রমিকদের আন্দোলনে থাকার কোনো কারণ নেই। তিনি কাজে ফিরে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানান। কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত হয়, যা শ্রমিকদেরই ক্ষতি করে। মন্ত্রীর এই অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরও রাজপথে ভাঙচুর বা অবরোধ অব্যাহত রাখা ন্যায্য দাবিকে দুর্বল করে।

মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনেক আন্দোলনকারীই কারখানার শ্রমিক। তারা জীবনযাত্রার চাপের কথা তুলে ধরছেন। তবে কিছু ঘটনায় সহিংসতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম দেখা গেছে, যা সাধারণ শ্রমিক আন্দোলনের চরিত্র থেকে ভিন্ন। অতীতেও এ ধরনের আন্দোলনে বাইরের লোকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিলো। বর্তমানেও কিছু স্থানে উস্কানিমূলক আচরণ ও সংগঠিত অবরোধের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে প্রশ্ন ওঠে—আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণ কি পুরোপুরি সাধারণ শ্রমিকদের হাতে, নাকি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করার সুযোগ নিচ্ছে?

জানা গেছে, গতকাল ৩১ অক্টোবর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি আমলে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ৬ সদস্যবিশিষ্ট নতুন ‘জাতীয় মজুরি বোর্ড’ গঠনের আনুষ্ঠানিক গেজেট ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট সচিবগণ শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার এবং অবিলম্বে রাজপথ ছেড়ে কারখানায় ফিরে যাওয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। সরকারের এই সর্বোচ্চ আশ্বাসের পরও কেন এই অনড় মনোভাব? 

মজুরি কমিশন গঠনের পরেও কেন এই ক্ষোভ ও সহিংসতা? এমন প্রশ্নের উত্তরে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের অসন্তোষ হঠাৎ করে তৈরি হয়নি, এটি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ। তবে এবারের আন্দোলনের তীব্রতা এবং মজুরি বোর্ড গঠনের পরও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে। শ্রমিকদের প্রধান ক্ষোভের জায়গাটি হলো—তাৎক্ষণিক কোনো আর্থিক স্বস্তি বা অন্তর্বর্তীকালীন ভাতার ঘোষণা না দিয়ে কেবল একটি দীর্ঘমেয়াদী বোর্ড গঠন করা।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং নবগঠিত মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ২০২৩ সালে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২,৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত তিন বছরে চাল, ডাল, তেল, লবণ থেকে শুরু করে বাড়ি ভাড়া এবং সন্তানের পড়াশোনার খরচ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ১২,৫০০ টাকা দিয়ে চার-পাঁচজনের একটি পরিবারের ঢাকা বা গাজীপুরে টিকে থাকা অলীক কল্পনা। শ্রমিকরা যখন দেখছে যে তাদের পেটে ক্ষুধা এবং বাজারের ব্যাগ দিনে দিনে ছোট হচ্ছে, তখন তারা আর প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতায় বিশ্বাস রাখতে পারছে না। মজুরি বোর্ড গঠন হওয়া একটি আইনি প্রক্রিয়া, কিন্তু এই বোর্ড চূড়ান্ত সুপারিশ দিতে কয়েক মাস সময় নিয়ে নেয়। শ্রমিকদের দাবি ছিল—বোর্ড গঠনের পাশাপাশি অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন জরুরি রেশনিং বা মূল বেতনের সাথে একটি নির্দিষ্ট অংশ অগ্রিম যোগ করার ঘোষণা দেওয়া। সেটি না হওয়ায় সাধারণ শ্রমিকদের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় রয়ে গেছে।

তবে এর বিপরীতে মালিকপক্ষ এবং সরকারের নীতি নির্ধারকদের ভিন্ন যুক্তি রয়েছে। বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক মো. কামরুল হাসান বলেন, আমরা শ্রমিকদের কষ্টের কথা বুঝি। কিন্তু বাস্তবতাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমান বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাকের দরপতন ঘটছে, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কারণে কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। এর ওপর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট ও লজিস্টিক খরচ বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা (বায়ার) পোশাকের দাম বাড়াচ্ছে না, উল্টো অনেক ক্ষেত্রে অর্ডার কমিয়ে দিচ্ছে। এই অবস্থায় হুট করে যদি ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করা হয়, তবে দেশের মাঝারি ও ছোট আকারের প্রায় ৬০ শতাংশ কারখানা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকরা চাকরি হারাবেন, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য আত্মঘাতী হবে।

সরেজমিন অনুসন্ধান: মাঠে কারা? সাধারণ শ্রমিক নাকি বহিরাগত উসকানিদাতা?
মিরপুর-১১ এবং গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় আন্দোলনের সময় ডেইলি বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধিরা সরাসরি কয়েকজন বিক্ষোভকারীর মুখোমুখি হন এবং তাদের পরিচয় ও কারখানার নাম জানতে চান। এই অনুসন্ধানে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও সন্দেহজনক কিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে, যা প্রমাণ করে যে আন্দোলনের আড়ালে একটি বড় ধরনের নাশকতার চক্র সক্রিয় রয়েছে।

মিরপুর-১১ নম্বর সড়কের মুখে লাঠিসোঁটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণ বিক্ষোভকারীকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, আপনি কোন গার্মেন্টসের শ্রমিক এবং আপনার দাবি কী? উত্তরে ওই তরুণ প্রথমে থতমত খেয়ে যান এবং পরে বলেন, “আমি মিরপুরের একটা লোকালেই কাজ করি।” কারখানার নাম এবং তার পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) দেখতে চাইলে তিনি কোনো কার্ড দেখাতে পারেননি এবং উত্তেজিত হয়ে বলেন, “আইডি কার্ড কারখানায় রেখে এসেছি। আমাদের দাবি বেতন বাড়ানো, কার্ড দিয়ে কী করবেন?”

কিছুক্ষণ পর মিরপুর-১৪ এলাকায় দেখা যায় অন্য এক চিত্র। সেখানে বিশ থেকে পঁচিশ বছর বয়সী একদল যুবককে দেখা যায়, যারা লাঠি দিয়ে রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট ও দোকানের সাটার ভাঙচুর করছিল। তাদের মধ্যে মো. জসিম উদ্দিন নামের একজনকে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজেকে একজন পোশাক শ্রমিক দাবি করেন। তবে পাশে থাকা অন্য প্রকৃত পোশাক শ্রমিকরা ফিসফিস করে জানান যে, জসিম বা তার সাথে থাকা যুবকদের কাউকেই এই এলাকার কোনো কারখানায় কখনো দেখা যায়নি। তারা মূলত স্থানীয় ভাসমান ও টোকাই শ্রেণির, যাদের নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক বা অপরাধী চক্র টাকার বিনিময়ে উসকানি দিয়ে মাঠে নামিয়েছে।

এই বিষয়ে সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে, প্রকৃত গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। গত কয়েক বছরে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হওয়া এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু সংগঠনের ক্যাডাররা শ্রমিকদের পোশাক পরে আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তাদের মূল লক্ষ্য বেতন বৃদ্ধি নয়; তাদের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা, পুলিশের ওপর হামলা চালানো এবং দেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতটিকে ধ্বংস করে সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা।

মিরপুর এলাকায় রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে শ্রমিকরা গোলচত্বরে জড়ো হন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মো. নাসের রিকাবদার জানান, শ্রমিকরা কয়েকদিন ধরেই এই দাবিতে সড়ক অবরোধ করছেন। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলার চেষ্টা করছে। মেট্রো স্টেশনের গেটও কিছু সময় বন্ধ রাখতে হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। 

গাজীপুরে পরিস্থিতি আরও জটিল। কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লিবিদ্যুৎ এলাকায় পিকআপ ভ্যান ও গুদামে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। কোনাবাড়ীতে পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া যায়। গাজীপুর শিল্প পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন জানান, শ্রমিকরা বিভিন্ন কারখানা থেকে বেরিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছেন। বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য। আশুলিয়া শিল্প পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে। শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন।

মিরপুরে বিক্ষোভরত শ্রমিক মোহসিনা বেগম (৪৫) বলেন, ১৮ বছর ধরে এই খাতে কাজ করছেন। বাসাভাড়াই আট হাজার টাকা। ওভারটাইমসহ ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। বাকি টাকায় সংসার চালানো কঠিন। অন্য এক শ্রমিক আমেনা খাতুন বলেন, কমিটি গঠনের কথা শুনেছেন কিন্তু দৃশ্যমান পদক্ষেপ চাই। শুধু কমিটি হলেই সমস্যার সমাধান হয় না।

অর্থনীতিবিদ ও শ্রমবিশেষজ্ঞরা বলছেন, গার্মেন্ট খাতের স্থিতিশীলতা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য। শ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি হলে অভ্যন্তরীণ বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কিন্তু সহিংসতা ও দীর্ঘমেয়াদী অচলাবস্থা শিল্পের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমায়। তাই দ্রুত সংলাপের মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করাই একমাত্র পথ। রাজপথের উত্তেজনা কমিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া এবং বোর্ডের মাধ্যমে ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা—এই দুইয়ের সমন্বয়ই এখন সবচেয়ে জরুরি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!