নকল ও মানহীন ওষুধে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রশ্নের মুখে চিকিৎসাব্যবস্থা
চিকিৎসকের চেম্বারে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, হাজার টাকা ফি দিয়ে প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ, এরপর কষ্টার্জিত অর্থে ফার্মেসি থেকে নির্ধারিত ওষুধ কেনা—রোগ নিরাময়ে এটাই অনেকের নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা। কিন্তু নিয়মিত ওষুধ সেবনের পরও যখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয় না, বরং জটিলতা বাড়তে থাকে, তখন রোগী ও স্বজনেরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তবে এর পেছনে কি কেবল চিকিৎসকের ভুল, নাকি পর্দার আড়ালে রয়েছে অন্য কোনো গুরুতর সমস্যা?
সাম্প্রতিক অনুসন্ধান ও চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য—অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন যথাযথ হলেও ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। ওষুধের স্ট্রিপ বা প্যাকেটে নির্ধারিত উপাদানের উল্লেখ থাকলেও সেবনের পর প্রত্যাশিত ফল মিলছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন চিকিৎসকেরাও। নির্ধারিত সময়ে সুফল না পেলে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের মাত্রা বাড়ানো কিংবা অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী বিকল্প অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। এতে রোগীর শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, রোগ নির্ণয় সঠিক হওয়ার পরও নির্ধারিত ওষুধে প্রত্যাশিত ফল না মিললে চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে ওষুধের মান ও কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নকল, ভেজাল ও মানহীন ওষুধের বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে সরকার।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) সূত্রে জানা গেছে, দেশে নিবন্ধিত অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩২২টি। এর মধ্যে সক্রিয় রয়েছে ২৫৮টি। শীর্ষ প্রায় ৩০টি কোম্পানি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (জিএমপি) অনুসরণ করে সিংহভাগ মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কারখানার সংখ্যা প্রায় ১০০টি।
তবে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বড় অংশের উৎপাদিত ওষুধের মান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। পাশাপাশি অসাধু চক্রের মাধ্যমে মানহীন, অননুমোদিত, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল ওষুধ বাজারজাত করার অভিযোগও রয়েছে। এসব প্রতিরোধে স্থানীয় বাজারে বিক্রি হওয়া ওষুধের কার্যকারিতা ও বায়োইকুইভ্যালেন্স পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। কাঁচামাল বা সক্রিয় ওষুধ উপাদান (এপিআই) থেকে শুরু করে প্রস্তুত ওষুধ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে রাসায়নিক অপদ্রব্য ও বিষাক্ততা পরীক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ওষুধ অন্য কোনো সাধারণ ভোগ্যপণ্য নয়। মানহীন ও অপ্রয়োজনীয় ওষুধ প্রতিরোধ এবং অসংক্রামক ব্যাধিতে ভোগা রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উৎপাদনের পাশাপাশি সঠিক তাপমাত্রায় ওষুধ পরিবহন ও বিতরণের ক্ষেত্রেও গুড ডিস্ট্রিবিউশন প্র্যাকটিস (জিডিপি) এবং ডব্লিউএইচওর নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, ‘ওষুধ ও প্রসাধনী আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী ওষুধ প্রস্তুতকারকদের ফার্মাকোভিজিল্যান্স বা ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণের আইনি বাধ্যবাধকতা জোরদার করা হয়েছে। ওষুধের প্যাকেটে সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নকল, ভেজাল, নিবন্ধনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথাও জানান তিনি।
দেশে বর্তমানে প্রায় সোয়া দুই লাখ ফার্মেসি রয়েছে। এর মধ্যে নিবন্ধিত ফার্মেসির সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার। বাকি লাইসেন্সবিহীন ও অননুমোদিত ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের পাশাপাশি নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওষুধের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিক্রয় ও ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বিশেষ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এতে সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসাও ভবিষ্যতে কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা নকল ও মানহীন ওষুধের বিস্তারকে অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখছেন। কিডনি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ জানান, ভেজাল ও কার্যকারিতাহীন ওষুধ সেবনের ফলে মানবদেহের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মানহীন উপাদানের বিষাক্ত প্রভাবে দ্রুত কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।
তিনি শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণের দিকে নজর না দিয়ে ভেজাল ও মানহীন ওষুধের উৎস নির্মূলের ওপর জোর দেন।
অন্যদিকে, নকল ও মানহীন ওষুধে শিশুদের ঝুঁকি বেশি বলে সতর্ক করেছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মনির হোসেন এবং হাসপাতালটির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. সফি আহমেদ মোয়াজ। তাদের মতে, জ্বর বা সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসায় শিশুদের দেওয়া প্যারাসিটামল কিংবা অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর না হলে রোগের জটিলতা বাড়তে পারে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে শিশুর বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তিনটি ঘটনায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র:
কেস স্টাডি-১: কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকিতে এক তরুণ
রাজধানীর মিরপুরের তরুণ মেহেদী হাসান কয়েক মাস আগে সাধারণ জ্বর ও শরীরব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ কিনে নিয়মিত সেবন করলেও তার জ্বর কমেনি; বরং শারীরিক দুর্বলতা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তাকে বারবার ওষুধ পরিবর্তন করতে হয়। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, তার কিডনির কার্যক্ষমতা দ্রুত কমে গেছে।
চিকিৎসকদের সন্দেহ, তিনি যে ওষুধ সেবন করেছেন, তাতে প্রয়োজনীয় সক্রিয় উপাদানের ঘাটতি ছিল অথবা বিষাক্ত উপাদান মিশে থাকতে পারে। বর্তমানে তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
মেহেদীর পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, ‘ডাক্তার লিখে দিয়েছেন, আমরা খেয়েছি। কিন্তু ওষুধ যদি ভেজাল হয়, তাহলে দোষ কার? আমরা তো ওষুধের মোড়কে লেখা দেখেই কিনেছি।’
কেস স্টাডি-২: শিশুর জীবন বাঁচাতে হাসপাতালে ছুটে আসা মা
গাজীপুরের বাসিন্দা ফাতেমা খাতুন তার দেড় বছর বয়সী শিশুর জ্বর হলে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল সিরাপ কিনে খাওয়ান। কিন্তু জ্বর না কমে শিশুটি আরও অস্থির হয়ে পড়ে এবং বমি শুরু করে। পরে তাকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সেখানে চিকিৎসকেরা জানান, ব্যবহৃত ওষুধে পর্যাপ্ত সক্রিয় উপাদান ছিল না বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে শিশুটির শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। সময়মতো হাসপাতালে নেওয়ায় সে প্রাণে বেঁচে যায়।
চিকিৎসকদের মতে, নকল বা নিম্নমানের ওষুধ শিশুদের জন্য বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করে। কারণ, যথাযথ চিকিৎসা না পেলে শিশুদের সংক্রমণ দ্রুত জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
কেস স্টাডি-৩: অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের ঝুঁকিতে রোগী
রাজধানীর মধ্যবাড্ডার মধ্যবয়সী রোগী খলিলুর রহমান বারবার মূত্রনালির সংক্রমণে (ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন) ভুগছিলেন। চিকিৎসকের দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরও প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, তিনি যে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করেছেন, তা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কেনা ও সেবনের কারণে তার চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে। তার শরীরে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়। বর্তমানে তাকে আরও শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল ওষুধ সেবন করতে হচ্ছে, যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও বেশি।
এসব ঘটনা ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এনেছে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র যথাযথ হলেও ওষুধের মান ও কার্যকারিতা নিশ্চিত না হলে চিকিৎসার প্রত্যাশিত ফল পাওয়া কঠিন। তাই উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রয়—প্রতিটি পর্যায়ে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।
নকল, ভেজাল ও মানহীন ওষুধের সরবরাহব্যবস্থা ভাঙতে সরকারের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাচ্ছে। উৎপাদন কারখানার পাশাপাশি পরিবহনব্যবস্থা, পাইকারি বাজার ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর কোতোয়ালি থানাধীন বাবুবাজার এলাকায় চার ঘণ্টাব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে সিকিউরিটি অ্যান্ড রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এসআরবি সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিএসটিআই ও ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদনহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং নকল ওষুধ মজুত ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানে ১০টি ওষুধের দোকানের মালিককে মোট ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া আরও চারটি দোকান থেকে কয়েক বস্তা মানহীন, অনুমোদনহীন ও নকল ওষুধ জব্দ করে ঘটনাস্থলেই প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়।
এসআরবির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ও প্রতারণামূলক ওষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; সারা দেশে নিয়মিতভাবে তা অব্যাহত থাকবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে উৎপাদন পর্যায়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কঠোর নজরদারি, ফার্মেসিতে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্টের উপস্থিতি, অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রিতে বিধিনিষেধের কার্যকর প্রয়োগ এবং বাজারে নিয়মিত অভিযান জরুরি। একই সঙ্গে ওষুধের সংরক্ষণ ও পরিবহনে নির্ধারিত মান বজায় রাখা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন।
এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন থেকে বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ওষুধের প্যাকেটের তথ্য, মেয়াদ ও অনুমোদন যাচাই এবং সন্দেহজনক ওষুধের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর বিষয়েও মানুষকে সচেতন করা জরুরি।
নকল ও মানহীন ওষুধ কেবল আর্থিক ক্ষতির কারণ নয়; এটি মানুষের জীবনকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে। তাই জীবনরক্ষাকারী ওষুধকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর রাখতে উৎপাদন থেকে শুরু করে রোগীর হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, মান নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, রোগীর নিরাপত্তাকেই দিতে হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।