স্বামী-স্ত্রী দুজনের কর্মস্থল কাছাকাছি, একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
.png)
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, কর্মজীবী দম্পতিদের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলায় তাদের কর্মস্থল নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
তিনি জানান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন অঞ্চলে ২০টি করে মোট ৪০টি ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এসব ডে-কেয়ার সেন্টারে অফিস চলাকালীন সময়ে ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী ৪ হাজার ৫০টি শিশুকে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শিশুদের এসব কেন্দ্রে রাখার সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবী মায়েরা।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টার রয়েছে। আরও ১১টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ ছাড়া শিগগিরই আরও ১২টি সেন্টার চালু করা হবে।
ফলে মোট ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টারেই ব্রেস্টফিডিংয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।