বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আবেদনকারী দুইজন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ছাড়া আর কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেননি। নিজেদের আবেদনে তারা বলেছেন, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও ভাতা নিচ্ছি। আমাদের ভুল স্বীকার করছি এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
.png)
সচিব বলেন, উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছিলেন যারা মুক্তিযোদ্ধা না তাদের ক্ষমার আওতায় আনা হবে। উপদেষ্টার সেই বক্তব্য উল্লেখ করে আবেদনকারীদের একজন লিখেছেন, ‘আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে স্বেচ্ছায় গেজেট এবং সনদ বাতিল করার জন্য আবেদন করেছি।’ আরেকজন বেসামরিক গেজেট এবং লাল মুক্তিবার্তা থেকে নাম প্রত্যাহার এবং দায়মুক্তির অনুরোধ করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে গত ১১ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। তিনি জানান, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা ভুল স্বীকার করে আবেদন করলে তাদের সাধারণ ক্ষমা করা হবে। আর যদি সেটা না হয়, তাহলে প্রতারণায় দায়ে তাদের অভিযুক্ত করা হবে।