বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের অনেকেই এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহতদের বিনামূল্যে মেডিকেল পরামর্শ দেওয়ার জন্য ব্যাংককের ভেজথানি হাসপাতাল আগ্রহ প্রকাশ করে। সেই লক্ষ্যে ভেজথানির তিনজন ডাক্তারসহ ৬ জনের একটি টিম ঢাকায় এসেছে।
.png)
চিকিৎসক দলটি ঢাকায় জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে আন্দোলনে আহতদের দেখেছে।
নিটোরের পরিচালক ডা. কাজী শামীম উজ-জামান জানান, থাইল্যান্ড থেকে আসা চিকিৎসক দল ভর্তি হওয়া ৫৭ জন রোগীকে দেখেছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জন গুরুতর আহত রোগীর স্নায়ু এবং জয়েন্টের আঘাতের ওপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। নার্ভের আঘাতের রোগীর জন্য তাদের পরিকল্পনা হলো অপেক্ষা করা এবং তদন্তের মাধ্যমে ৪ সপ্তাহের ব্যবধানে পর্যবেক্ষণ করা। রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বাকি রোগীদের সম্পর্কে তারা আমাদের চলমান চিকিৎসা প্রোটোকলের সঙ্গে একমত।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক ডা. মো. বদরুল আলম বলেন, থাইল্যান্ডের চিকিৎসক দল এখানে ৭ জন গুরুতর আহত রোগীকে দেখেছেন। তারা বলেছেন, বৃহস্পতিবার প্রত্যেক রোগীর প্রতিবেদন দেবেন। এছাড়া সামগ্রিকভাবে তারা আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট।