মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন শেষে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) তিনি এ কথা জানান।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম পোর্ট হচ্ছে বাংলাদেশের লাইফলাইন। এ পোর্ট যদি না চলে এবং যে অব্যবস্থাপনা ছিল সেটা যদি দূর না হয়, আমাদের অর্থনীতির লাইফলাইনে অসুবিধা হবে। সে কারণে গত তিনদিন ধরে পোর্টের যাবতীয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেছি। আমরা ম্যানুয়াল থেকে যদি অটোমেশন করতে পারি তাহলে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সময় আরো কমে যাবে।
.png)
তিনি বলেন, আগে একটি জাহাজ এলে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতো পণ্য খালাস করতে। এখন সেটা অনেক উন্নতি হয়েছে। তাই বলে আমরা যে সন্তুষ্ট, তা একদম নয়। অটোমেশনের কাজ চলছে। সেটি হলে কনটেইনার লোডিং ও আনলোডিং এর সময় আরো কমবে।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, এখানে (চট্টগ্রাম বন্দর) অনেক অনিয়ম হয়েছে। সেগুলো বলতে গেলে সারাদিন লাগবে। অনেক লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। কারো মামা, কারো চাচা, কারো দাদা। তারা কাজ করছে না। লাইসেন্স নিয়ে হয়তো আরেকজনের কাছে বিক্রি করেছে। এগুলো আমাদের নজরে এসেছে। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এম সাখাওয়াত হোসেন আরো বলেন, পোর্টের জন্য যেটা ভালো হবে সেটা করা হবে। টেন্ডার এখন আর ডিপিএম পদ্ধতিতে হবে না। এখন ওপেন দরপত্র আহ্বান করা হবে। সেটা আবার আমরা রিভিউ করবো। যাতে লোকাল বা বিদেশির মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট লোক না আসে।
এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেকসহ বন্দরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।