বিমানবন্দরের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, প্রথমে তিনি যান সিঙ্গাপুর। সেখান থেকে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়া থেকে সপরিবারে চলে যান দুবাই। সেখানে পরিবারের সদস্যদের রেখে তিনি পর্তুগালে পাড়ি জমান। সর্বশেষ রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনিতে।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সিডনিতে তিনি একটি ঘরোয়া মিটিং করেছেন। সেখানে সেই দেশের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এমন কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। সেই আলোচনার একটি ছবি দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।
.png)
এছাড়া ঐ প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশিরা বেনজীর আহমেদের অবস্থানের বিষয়টি লিখিতভাবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন।
এর আগে, দেশজুড়ে সমালোচনা ও মামলা-মোকদ্দমার আলোচনার মধ্যে দেশ ছেড়ে পালান বেনজীর। চলতি বছরের ৪ মে বিমানবন্দরে তাকে সহযোগিতা করেন বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। বেনজীর আহমেদ দেশ ছাড়ার আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে তিনি দেশ ছাড়েন। তবে তিনি কোন দেশে আছেন তা জানা যায়নি তখন।
এদিকে সাবেক এই আইজিপি এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান টিম। গত জুলাই মাসের শুরুতে কমিশনে তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করে দুদকের অনুসন্ধান টিম। সেখানে বেনজীর আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে মোট ৪৩ কোটি ৪৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫২ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।