রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
খাদ্য সচিব বলেন, এখন খাদ্যের (চাল ও গম) সরকারি মজুদ ১৯ লাখ, এটা নিরাপদ পর্যায়ে আছে। আমরা আপদকালীন মজুদ ধরেছি ১৩ লাখ টন, এরপর এ সংগ্রহ মৌসুমে এখন পর্যন্ত আর ২ লাখ টন হওয়ার কথা। সেখানে আমাদের মজুদ অনেক বেশি আছে।
.png)
তিনি বলেন, শুধু সরকারি মজুদ নয়, বেসরকারি ১৫০০ মিলে মজুদ সন্তোষজনক বলে আমরা জেনেছি। কারণ গত বোরো মৌসুমে উৎপাদন ভালো হয়েছে। এছাড়া সরবরাহ মধ্যবর্তী সময়ে কিছুটা বিঘ্ন ছিল। কিন্তু এখন কোনো সমস্যা নেই।
বিদেশ থেকে খাদ্য কেনা বা আমদানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন সরকারি কোনো ক্রয় প্রস্তাব নেই। নতুন সরকার সম্মতি দিলে কিনবো। তবে গত বছরের কেনা ৫০ হাজার টন গমের একটি জাহাজ বন্দরে খালাসের জন্য আছে।
চালের দাম প্রসঙ্গে ইসমাইল হোসেন বলেন, আগস্টের ৫ তারিখের আগ পর্যন্ত চালের দাম ২-৫ টাকা বেড়েছিল। এখন কমেছে। বাজারে ৪৯-৫১ টাকা সাধারণ মানের চাল পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্বস্তিদায়ক।
গতকাল (শনিবার) বোরো মৌসুমের সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের এ মৌসুমী ১১ লাখ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, হয়েছে ১১ লাখ ২৫ হাজার টন। আতপ চালও এক লাখ টনের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৪ হাজার টন বেশি হয়েছে। তবে ধানের সংগ্রহ কম হয়েছে। এটা বরাবর কম হয়, গত বছর ৪০ শতাংশ হয়েছিল, সে তুলনায় ভালো হয়েছে। ৫ লাখ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীত হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার টন।